হবিগঞ্জে জনবল সংকটে চিকিত্সাসেবা ব্যাহত
প্রকাশ : ০২ আগস্ট ২০১৩, ২১:১২
জেলার বিভিন্ন সরকারি হাসপাতাল, সাতটি উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্র ও ১৮টি ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে বিশেষজ্ঞসহ চিকিত্সকের মোট মঞ্জুরিকৃত ১৮৮টি পদের মধ্যে ৮৬টি পদ শূন্য রয়েছে। ১৯৯৫ সালে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতাল ৫০ থেকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করা হয়। প্রতিদিন গড়ে ২০০ রোগী হাসপাতালের বেডে ও মেঝেতে থাকছে। ইদানীং হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালটিকে ২৫০ বেডে উন্নীত করার প্রকল্প গৃহীত হয়েছে। বর্তমানে এ হাসপাতালে চিকিত্সকের ৩৭টি পদের মধ্যে ৭টি পদ শূন্য।
জেলার অধিকাংশ উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিত্সক ও ওষুধপত্রের অভাব রয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে নার্সের ১৩৯টি পদের মধ্যে ৭৫টি, সিভিল সার্জন কার্যালয়ে সিনিয়র স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, পরিসংখ্যানবিদ, মেডিক্যাল অফিসার (ডিজিজ কন্ট্রোল), প্রশাসনিক কর্মকর্তা, জেলা স্বাস্থ্য তত্ত্বাবধায়ক ও কীটতত্ত্ববিদের পদ শূন্য রয়েছে।
জেলায় স্বাস্থ্য বিভাগীয় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সর্বমোট ১২৫৩টি পদের মধ্যে ৩৯৩টি পদ বর্তমানে শূন্য রয়েছে। সদর আধুনিক হাসপাতালে চারটি এক্স-রে মেশিনের মধ্যে তিনটি, আল্ট্রাসনোগ্রাম মেশিন দুইটির মধ্যে একটি এবং ইসিজি মেশিন তিনটির মধ্যে দুইটি, চারটি অ্যাম্বুলেন্সের মধ্যে তিনটি অচল রয়েছে। লাখাই ও মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দুইটি অ্যাম্বুলেন্স নষ্ট।
সিভিল সার্জন ডা. শফিকুর রহমান জানান, জেলার সরকারি হাসপাতালগুলোতে রোগীদের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। এ ছাড়া হারবাল চিকিত্সার নামে যেসব ভুয়া চিকিত্সক রোগীদের সাথে প্রতারণা করছে, প্রশাসনের সহায়তায় তাদের বিরুদ্ধেও অভিযান চালানো হবে।