জুমাতুল বিদা পালন

গতকাল শুক্রবার রাজধানীসহ সারাদেশে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে পবিত্র জুমাতুল বিদা। বিশ্ব মুসলিম উম্মাহ রহমত, বরকত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস রমজানের শেষ জুমা অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে পালন করে থাকে। এ উপলক্ষে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকররমে খতিব মাওলানা প্রফেসার মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বিশেষ বয়ান করেন। এছাড়া প্রতিটি মসজিদে জুমার নামাজের আগে জুমাতুল বিদা ও পবিত্র লাইলাতুল কদর সম্পর্কে খুতবা প্রদান করা হয়। দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ও শান্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। সারা দেশে প্রতিটি মসজিদেই ছিল উপচেপড়া ভিড়। রমজানের শেষ শুক্রবারকে জুমাতুল বিদা হিসাবে পালন করার প্রচলন দীর্ঘদিনের। গতকাল মসজিদে খুতবা দিতে গিয়ে খতিবরা বলেছেন, জুমাতুল বিদা বলে কোন কথা পবিত্র কোরআন শরীফ বা হাদিসে নেই। তবে কোন মুসলমানই বলতে পারে না সে আগামী রমজানের শেষ জুমা পাবে। সে কারণেই মুসলমানরা বিশেষ মর্যাদা দিয়ে জুমাতুল বিদা পালন করে থাকে। খুতবায় বলা হয়, যদি রমজান মাস ৩০ দিনে পূর্ণ হয় তাহলে আরেকটি জুমা পাওয়া যাবে। আর সেটিও হবে জমাতুল বিদা। তবুও গতকাল জুমার খুতবায় বলা হয়, ‘আল বিদা, আল বিদা, ইয়া শাহরু রামাজান’। অর্থাত্ বিদায়, বিদায় হে মাহে রমজান। রাজধানীর প্রায় মসজিদে খতিবরা একই সুরে বয়ান করেছেন। বয়ানের মূল বিষয়বস্তু ছিলো রমজান। তারা বলেন, রমজান শেষের পথে। হিসাব নিকাশ করতে হবে আমরা রমজান মাসে কি নেক আমল করতে পেরেছি? শেষ ক’দিনেই আল্লাহর নিকট জাহান্নাম থেকে মুক্তি চাইতে হবে। জান্নাত চাইতে হবে। রমজান আসার আগেই রাসুল (সা.) সাহাবীদের রমজান সম্পর্কে অবহিত করতেন। তিনি বলতেন রমজানের শেষ দশ দিনে বেজোড় রাতে পবিত্র লাইলাতুল কদর তালাশ করো। এ রাত হচ্ছে হাজার মাসের চেয়ে উত্তম।