দুই প্রজন্মের কাব্য কথন

গীতিকবিতায় দু’জন দুসময়কে ধারণ করেন। দু’জনই স্বভাব বাউন্ডুলে। গানের ছন্দে খুঁজে বেড়ান ভালোবাসার আকাশ। ইত্তেফাক ‘ঈদ বিনোদন’-এর জন্য লিখলেন অন্যরকম এই দুটি কবিতা জাহিদ আকবর আমি কিছু মুহূর্ত ধরতে চেয়েছিলাম লাল নীল সবুজ সোনালি মুহূর্ত ধরতে গিয়ে নিজেই মুহূর্ত হয়ে গেছি মুহূর্ত ধরা সহজ নয়, হাওয়া হয়ে যাই, হাওয়ারও সে-কি দেমাগ! আদুরে কণ্ঠে বলে, পাইছ? আমার সাথে কথা বলো পেয়ে যাবা। কিছুতেই মুহূর্ত ধরা দেয় না। ধ্যানে মগ্ন থাকি, আকাশ খুলে রাখি এক লাইন লিখতেই মুহূর্ত উধাও। বুঝছ, উপমার জাদুতে বশ করে নিয়ে যাবে বিছানায়, জলজ শরীরের ভাঁজে ভাঁজে ছড়িয়ে দেবে আগুনরাশি উপমা-উপমা খেলা কবিতা গান মুঠোফোনে দিনরাত একাকার সবটাই মুগ্ধ করার মন্ত্র, বুঝছ? না বুঝলে ক্ষতি নেই... অনেক বসা হলো এবার শুয়ে পড়ো, উঠো নামো মুছে দাও অতঃপর চলমান স্রোতে হাওয়া... লতিফুল ইসলাম শিবলী ভালোবাসা নিজেই একটা বাড়ি ঠিকানা লিখে দিলেই চলে আসবে চিঠি এমন একটা বাড়ি আমার আজও হয়নি... তাই কোথাও ভালোবাসা পেলেই তত্ক্ষণাত্ বোকার মতো বানিয়ে নিয়েছি ছনের ঘর, কায়দাটা শিখেছিলাম বাবুই পাখির কাছ থেকে... তার মাসুলও দিতে হয়েছে অনেক, প্রবল ঝড়ে যতবার উড়ে গেছে চালা ভগ্ন কড়িকাঠে বসে ততবারই জেনেছি— ভালোবেসে বাড়ি বানাতে হয় না, ভালোবাসা নিজেই একটা বাড়ি।