পীরগঞ্জে বাদল হত্যা রহস্য উদঘাটিত
পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও) সংবাদদাতা
প্রকাশ : ০৪ আগস্ট ২০১৩, ২০:৫৯
পীরগঞ্জে চাঞ্চল্যকর বাদল হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। চাকরির ঘুষের ২ লাখ টাকা যোগাড় করতে মকলেস মনে করে বাদলকে জবাই করে খুন করা হয়েছে বলে পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে আফসার, সাগর ও লিটন।
পটুয়াপাড়া গ্রামের আসমত আলীর ছেলে আফসারের চাকরির জন্য ২ লাখ টাকার প্রয়োজন। টাকার জন্য ছুটাছুটি করলে সুযোগ নেয় আনছারের ছেলে মিজান। মিজানের ভাই মকলেসকে খুন করলে আফসারকে ২ লাখ টাকা দেয়া হবে। এ প্রস্তাবে আফসার রাজি হয়। পরিকল্পনা হয় মকলেসকে খুন করার। গত ১ রমজান রাতে মকলেসকে খুন করার জন্য পীরগঞ্জ উপজেলার হাজিপুর গ্রামের রাস্তা পাশে আখ ক্ষেতের ধারে অবস্থান নেয় আফসারসহ তার সহযোগিরা। সাইকেলে চড়ে আসা ব্যক্তিকে মকলেস ভেবে বাদলকে জবাই করে হত্যা করে আফসার গং।
হত্যার পর বাদলের লাশ আখ ক্ষেতে ফেলে পালিয়ে যায়। পরদিন আখ ক্ষেত থেকে বাদলের জবাই করা লাশ উদ্ধার করে থানা পুলিশ। বাদলের ভাই নজরুল বাদি হয়ে কয়েকজনের নামে থানায় হত্যা মামলা করে। কিন্তু এজাহারভুক্ত আসামিদের সাথে খুনের সম্পৃক্ততা না পেয়ে পুলিশ সুপার বেলায়েত হোসেন আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে খুনের সাথে জড়িতদের শনাক্ত করেন। আফসার, সাগর ও লিটন নামে ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বেলায়েত হোসেন জানান, গ্রেফতারকৃতদের স্বীকারোক্তি মতে ঘটনাস্থল থেকে খুনের কাজে ব্যবহূত লোহার রড ও মোবাইল ফোনসেট উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। মামলার আইও এসআই রায়হান আলী জানান, খুনের সকল তথ্য উদঘাটিত হয়েছে। জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।