চিকিত্সার অভাবে দুর্ভোগে চরবাসী
মুস্তাফিজুর রহমান, চরভদ্রাসন (ফরিদপুর) সংবাদদাতা
প্রকাশ : ০৪ আগস্ট ২০১৩, ২১:০০
ফরিদপুর জেলার চরভদ্রাসন উপজেলা ৪টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। উক্ত উপজেলার পাশ ঘেঁষে বয়ে চলেছে পদ্মা নদী। প্রতি বছরই নদী তার চিরচারিত নিয়মে ভাঙ্গা-গড়ার খেলায় মেতে ওঠে। উক্ত উপজেলার চরাঞ্চলগুলোতে ক’য়েক হাজার পরিবার বসবাস করলেও এখানে বসবাসরত শ্রমজীবী মানুষ কৃষি কাজ, মাছ শিকার ও গবাদিপশু পালন করে জীবিকা নির্বাহ করে। মধ্যম শালেপুরের শেখ তোতা (৪০) জানায়, এখানকার বেশিরভাগ লোকই বর্গা চাষী। আমরা ধান, গম, পিঁয়াজ, রসুন, সরিষা, তীল ও বাদামের চাষ করি। ঝড়, বৃষ্টি, খরা, বন্যা ও নদী ভাঙ্গনের সাথে প্রতিনিয়ত জীবনযুদ্ধ চালিয়ে বেঁচে থাকতে হয় আমাদের । কোন বছর ফসল ঘরে তুলি আবার কোন বছর প্রাকৃতিক দুর্যোগে আমাদের সব শেষ হয়ে যায়। চর হরিরামপুর ইউনিয়নের চর শালেপুর, মধ্যম শালেপুর, ভাটি শালেপুর ও চর ঝাউকান্দা ঘুরে দেখা দেখা যায় এখানকার অনেক পরিবার কৃষি কাজের পাশাপশি পদ্মা নদীতে ইলিশ, পাঙ্গাস, রিটা ও বিভিন্ন প্রজাতির মাছ শিকার ও বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করে চলছে। উক্ত চরাঞ্চলগুলোতে বসবাসরত লোকেদের নদীপথ পাড়ি দিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসার যোগাযোগ ব্যবস্থা ভাল না থাকায় যেমন সুচিকিত্সার অভাব দেখা দিয়েছে তেমনি চরাঞ্চলগুলোতে উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় না থাকায় লেখাপড়া থেকে অকালে ঝরে পড়ছে হাজারও শিক্ষার্থী।