প্রত্যাবর্তনেই জয় কসমসের
প্রকাশ : ০৪ আগস্ট ২০১৩, ২২:০১
নিউইয়র্ক কসমস ৩০ বছরের মধ্যে প্রথম জয় পেল ফোর্ট লডারডেল স্ট্রাইকার্সকে ২-১ গোলে হারিয়ে।
নিজেদের হোম গ্রাউন্ড হফস্ট্রা ইউনিভার্সিটির ১১,৯২৯ আসনের শুয়ার্ট স্টেডিয়ামে আলেসান্দ্রো নোসেইলি দ্বিতীয়ার্ধের অতিরিক্ত সময়ে গোল করে কসমসকে বিরল এ জয়ের আনন্দে ভাসান। তার আগ পর্যন্ত অবশ্য নর্থ আমেরিকান সকার লিগের (এনএএসএল) খেলাটিতে ৭৩ মিনিটে ওয়াল্টার রেস্ট্রেপোর হেডে অতিথিরা এক পয়েন্ট নিশ্চিত করার দিকেই এগিয়ে যাচ্ছিল।
পেলে বেকেনবাওয়ারের স্মৃতি ধন্য কসমস অবশ্য বিরতি সময়ে পেরি মারোসেভিচের দেয়া গোলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল। ১৯৭০ এর দশকের সাড়া জাগানো মার্কিন ফুটবল দল ছিল কসমস। নিউইয়র্কভিত্তিক এ দলে সেসময় খেলতেন পেলে, কার্লোস আলবার্তো ও ফানত্স বেকেনবাওয়ারের মতো চিরকালের সাড়া জাগানো ফুটবলাররা। সেসময়ে পড়ন্ত বেলার পেলে বেকেনবাওয়ারদের দেখার জন্যও গড়পড়তা ৪০ হাজার দর্শক মাঠে থাকতো। সেটা ছিল বেসবল ও বাস্কেটবলের দেশ যুক্তরাষ্ট্রে ফুটবলের শিকড় ছড়ানোর চেষ্টা। কিন্তু ১৯৮৪ সালে এনএএসএল গুটিয়ে যাওয়ার মধ্য দিয়ে কসমসের প্রথম অধ্যায়েরও সমাপ্তি ঘটে।
পুনরুজ্জীবিত কসমসের আনুষ্ঠানিক যাত্রায় হাজির ছিলেন আলবার্তো ও পেলে এবং তারা জানিয়ে দেন আগের মতো ক্ষণস্থায়ী হবে এবারের যাত্রাটি। আলবার্তো বলেন, ‘কসমসের প্রত্যাবর্তনে আমরা শিহরিত এবং শুধু এ বছরই নয়, সহসাই আমরা আগের মতো দল পেতে যাচ্ছি। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো লোকজন জানুক আমরা এখানে খেলতে আসিনি। আমরা এখানে হাজির থেকেছি খেলাটিকে যেন আরো ভালভাবে নেয়া হয় সেজন্য।’
কসমসের হয়ে এ খেলার প্রথম গোলদাতা মারোসেভিচ স্বীকার করেন উদ্বোধনী দলটির উপর অনেক প্রত্যাশা ছিল। তিনি বলেন, ‘আমরা জানতাম আমাদের উপর অনেক চাপ আছে। তবে আমরা খেলাটাকে মজা হিসেবে নিয়েই মনোসংযোগের চেষ্টা করেছি। এই ক্লাবের অংশ হতে পারা, মাঠে পা বাড়ানো এবং নিউইয়র্ক কসমসের জার্সি গায়ে চাপানো সত্যি সম্মানের ব্যাপার।’
যুক্তরাষ্ট্রে মেজর লিগ সকার (এমএলএস) হলো ফুটবলের সর্বোচ্চ প্রতিযোগিতা। তাই আপাতত কসমস এমএলএসে খেলার আকাঙ্ক্ষার মধ্যেও দ্বিতীয় স্তরের প্রতিযোগিতা এনএএসএলে খেলছে বলেও যে আনন্দিত, সেটা পরিষ্কার করে জানিয়ে দিয়েছে। তাদের পরবর্তী খেলা ১০ আগস্ট।