ব্যাংকিং খাতের ভবিষ্যত্ নিয়ে চিন্তিত ব্যাংকাররা
প্রকাশ : ০৬ আগস্ট ২০১৩, ২০:২৬
নির্বাচনী বছর হওয়াতে সামনের দিনগুলোতে রাজনৈতিক সহিংসতা, হরতাল বাড়বে। এর ফলে বিনিয়োগ প্রবাহ কমে যাবে। বাণিজ্যিক ব্যাংক হয়েও ব্যবসা করতে না পারলে ব্যাংকগুলো আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই আগামী দিনগুলোতে কিভাবে ব্যাংকিং ধরে রাখা যায় সে বিষয়ে দুশ্চিন্তা শুরু হয়েছে ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের।
বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন এবিবি এক সভায় সাংবাদিকদের কাছে ব্যাংকিং খাতের ভবিষ্যত্ নিয়ে দুশ্চিন্তার কথা জানায়। রবিবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এ সভায় বক্তব্য রাখেন এবিবির চেয়ারম্যান ও এনসিসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুরুল আমিন।
তিনি বলেন, বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো নিজেদের ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনার পাশাপাশি বন্ড, বিল ইস্যুসহ সরকারের ঋণের দায়িত্ব নিয়েছে। এছাড়া শেয়ারবাজারেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। দেশে ব্যবসা-বাণিজ্যে ধসের কারণে বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ কমেছে। যদিও ব্যাংকিং খাত বেসরকারি বিনিয়োগের পক্ষে। বিনিয়োগ কমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের কঠোর মনিটরিং-এর কারণে গত ডিসেম্বরে অপারেশনাল খরচের তুলনায় মুনাফার উপরে আঘাত এসেছে ব্যাংকগুলোর। বর্তমানে ব্যাংকগুলোতে পর্যাপ্ত পরিমাণে উদ্বৃত্ত তারল্য রয়েছে। আগামী ছয় মাসেও ব্যাংকগুলোতে তারল্য সংকট হবে না।
সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকটি গণমাধ্যম ব্যাংকগুলোর বিরুদ্ধে ঢালাওভাবে প্রতিবেদন করছে। যেগুলোর বেশিরভাগই ব্যক্তিগত আক্রোশমূলক এবং বস্তুনিষ্ঠ নয়। ব্যাংকগুলোর অগ্রযাত্রায় গণমাধ্যমের ভূমিকা অনেক। তাই এ খাতের স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য সঠিক, বস্তুনিষ্ট ও দিকনিদেশনামূলক সংবাদ পরিবেশনের জন্য গণমাধ্যম কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান নুরুল আমিন।