জাতীয় নির্বাচন
সংখ্যালঘুদের জন্য ৬০ আসন সংরক্ষণের দাবি
প্রকাশ : ০৬ আগস্ট ২০১৩, ২২:৩৭
দিন দিন সংখ্যালঘুদের স্বার্থ হনন করা হচ্ছে। তাদের ধর্মীয় উপাসনালয়গুলো প্রতিহিংসার শিকার হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন ও নিরাপত্তার স্বার্থে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যালঘুদের জন্য ৬০টি আসন সংরক্ষণের দাবি জানানো হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এ দাবি জানায় হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ। সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রানা দাশ গুপ্ত।
লিখিত বক্তৃতায় রানা দাশ গুপ্ত অভিযোগ করে বলেন, বাংলাদেশের দলীয় হানাহানির বলি হন সংখ্যালঘুরা। ইতোমধ্যে ঘটে যাওয়া কয়েকটি ঘটনা এর সাক্ষী। ২০০১ সালের নির্বাচনের আগে-পরের সহিংসতার কারণ নির্ণয় ও দোষীদের শাস্তির জন্য হাইকোর্টের নির্দেশে কমিশন গঠন করা হলেও কোন রিপোর্ট সরকারের কাছে পেশ করা হয়নি। ফলে সহিংসতা বেড়েই চলেছে। বড় রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে,্ তবে সংখ্যালঘুদের বিষয়ে তাদের কোন স্পষ্ট বক্তব্য নেই। দেশের সব নির্বাচনে ধর্ম ও সামপ্রদায়িকতার ব্যবহার করা হচ্ছে। পাঁচটি সিটি কর্পোরেশন নিবার্চনেও একই চিত্র দেখা গেছে। দলগুলোর এ আচরণে চরম উদ্বেগ-উত্কণ্ঠার মধ্যে আছেন সংখ্যালঘুরা। তিনি বলেন, আগামী নির্বাচনে সংখ্যালঘু নির্যাতনের মাত্রা আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা। এই উত্কণ্ঠা নিরসনে পরিষদের তরফে তিনি প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, আমরা মনে করি, যে সব স্থানে অধিক সংখ্যক সংখ্যালঘু বসবাস করে সে সব স্থানে জনপ্রতিনিধি মনোনয়নের ক্ষেত্রে তাদের বিবেচনায় নিতে হবে। ঈদের পর পরিষদ এই সকল বিষয় নিয়ে বড় রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আলোচনা করবে বলেও জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন পরিষদের সভাপতিমণ্ডলীর জ্যেষ্ঠ সদস্য নীম চন্দ্র্র ভৌমিক, হিউবার্ট গোমেজ, সুনন্দ প্রিয় ভিক্ষু, অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী প্রমুখ।