কক্সবাজার যশোর পাবনায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ৫ জন নিহত

 ‘বন্দুকযুদ্ধে’ কক্সবাজার, যশোর ও পাবনা জেলায় পাঁচজন নিহত হয়েছে। নিহতের মধ্যে দুজন রোহিঙ্গা বলে পুলিশ জানিয়েছে। অন্য তিনজনের দুজন ডাকাত ও একজন অভিযুক্ত মাদক ব্যবসায়ী। ইত্তেফাক প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের পাঠানো খবর:

কক্সবাজার প্রতিনিধি জানান, কক্সবাজার ও টেকনাফে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ তিনজন নিহত হয়েছেন। সোমবার দিবাগত রাতে বন্দুকযুদ্ধের এসব ঘটনা ঘটে। পুলিশের দাবি, কক্সবাজারে নিহত সৈয়দুল মোস্তফা ওরফে ভুলু ইয়াবা ব্যবসায়ী ও গডফাদার এবং টেকনাফে নিহত দুই রোহিঙ্গা মানব পাচারকারী।

কক্সবাজার মডেল থানার ওসি ফরিদ উদ্দিন খন্দকার জানান, শহরের পাহাড়তলীতে ইয়াবা ব্যবসায়ী সৈয়দুল মোস্তফা ভুলু পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন। এসময় ৪শ পিস ইয়াবা, একটি দেশীয় একনলা বন্দুক, দুটি তাজা কার্তুজ ও ছয়টি গুলির খালি খোসা উদ্ধার করা হয়। ভুলু কক্সবাজার পৌরসভার পাহাড়তলীর মাদক সম্রাট হাজী জহির আহাম্মদের ছেলে।

অপরদিকে, টেকনাফে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে দুই রোহিঙ্গা মানব পাচারকারী নিহত হয়েছে। গতকাল ভোররাতে কক্সবাজার-টেকনাফের মেরিন ড্রাইভ       সড়কে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হচ্ছে— টেকনাফ শামলাপুর ২৩ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আব্দুর রহিমের ছেলে আজিম উল্লাহ (২২) ও উখিয়ার জামতলী ১৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মৃত রহিম আলীর ছেলে আব্দুস সালাম (৫২)। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে দুটি দেশীয় অস্ত্র ও ৫ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

যশোর অফিস জানায়, যশোরে দুইদল ডাকাতের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সদস্য আবুল কাশেম (৫১) নিহত হয়েছে। মঙ্গলবার ভোরে যশোর-মাগুরা মহাসড়কের নোঙ্গরপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ তাকে অজ্ঞাত হিসেবে উদ্ধার করলেও পরে পরিচয় জানায়। তার বাড়ি যশোরের মণিরামপুরের শোলাপুর গ্রামে।

ঈশ্বরদী (পাবনা) সংবাদদাতা জানান, ঈশ্বরদীতে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে হাফিজুর রহমান তিতাস মোল্লা (৩৮) নামে এক ডাকাত নিহত হয়েছেন। তিনি অস্ত্র, বিস্ফোরক, ডাকাতি,  মোটরসাইকেল চুরি, ছিনতাইসহ ১৭ মামলার পলাতক আসামি। নিহত তিতাস ঈশ্বরদীর সাহাপুর ইউনিয়নের বাঁশেরবাদা গ্রামের মৃত আব্দুল আজিজ মোল্লার ছেলে। সোমবার দিবাগত রাত আড়াইটায় সাঁড়া ইউনিয়নের ঝাউদিয়ার চানমারী গ্রামের নাবুর আখ খেতে এই বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি রিভলবার ও দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে।