শমশেরনগর বিমান বন্দরটি আজও চালু হয়নি

এক সময়কার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম বিমান বন্দর হিসাবে খ্যাত শমশেরনগর বিমান বন্দর। অবহেলার মধ্যদিয়ে বিশাল এলাকা নিয়ে স্থাপিত ঐতিহাসিক এই বিমান বন্দর আন্তর্জাতিক ও আভ্যন্তরীণ রুটে যাত্রী চলাচল সম্ভব হয়নি। সম্প্রতি সময়ে রিক্রুট ট্রেনিং সেন্টার ও বিএএফ শাহীন কলেজ স্থাপনের মধ্যদিয়ে কিছুটা উন্নয়নের ছোঁয়া লাগলেও দীর্ঘদিন ধরে মৌলভীবাজার তথা সিলেটবাসী শমশেরনগর বিমান বন্দরটি চালু করার দাবি জানিয়ে আসলেও তা আজো বাস্তবায়নের মুখ দেখেনি। ১৯৭০ সালে পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ার লাইন্স (পিআইএ) এর আভ্যন্তরীণ একটি ফ্লাইট সিলেট বিমান বন্দর থেকে উড্ডয়নের পর যান্ত্রিক গোলযোগে শমশেরনগরে জররি অবতরণকালে বিধ্বস্ত হওয়ার পর থেকে এই বিমান বন্দরে বিমান উঠানামা বন্ধ রয়েছে। জানা যায়, ১৯৪২ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপান, মালয়েশিয়া, বার্মা, ইন্দোনেশিয়াকে দখল করার নামে ইংরেজরা কলকাতার দমদম ও শমশেরনগর বিমান ্বন্দর এক সাথে নির্মাণ করেছিল। স্বাধীনতার পূর্ব পর্যন্ত এই বিমান বন্দরে পিআইএ-র নিয়মিত আভ্যন্তরীণ বিমান উঠানামা করত। পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ার লাইন্স (পিআইএ) এর ফ্লাইট ঢাকা থেকে সিলেট যাওয়ার পথে শমশেরনগর বিমানবন্দরে অবতরণ করত। শমশেরনগর বাজারে ছিল পিআইএ-র একটি স্থানীয় অফিস। কিন্তু ১৯৭০ সালে একটি বিমান জরুরি অবতরণকালে রানওয়ের কাছে দুর্ঘটনায় পতিত হয়।