তারেক-মামুনের অর্থ পাচার মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ হয়নি

বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার বন্ধু ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের অর্থ পাচার মামলায় কোন সাক্ষ্য গ্রহণ হয়নি। মঙ্গলবার মামলার সাক্ষী দুদকের দুই উপ-পরিচালক মোহাম্মদ ইব্রাহিম ও তাহসিনুল হক আদালতে হাজির ছিলেন। মামলার আসামি গিয়াস উদ্দিন আল মামুনকেও কাশিমপুর কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়। আসামিপক্ষের আইনজীবীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার তিন নম্বর বিশেষ জজ মো. মোতাহার হোসেন আগামী ১ সেপ্টেম্বর সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য পরবর্তী দিন ধার্য করেন। ২০০৯ সালের ২৬ অক্টোবর ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলাটি করে দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ ইব্রাহিম। তদন্ত শেষে গত ২০১০ সালের ৬ জুলাই আদালতে মামলাটিতে অভিযোগপত্র দাখিল করে দুদক। ২০১১ সালের ৮ আগস্ট এ মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। প্রসঙ্গত, দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৬ মে এ মামলার প্রধান আসামি তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনতে ইংরেজি ভাষায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। টঙ্গীতে প্রস্তাবিত ৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুত্ কেন্দ্র স্থাপনের কাজ পাইয়ে নির্মাণ কন্সট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেডের মালিক খাদিজা ইসলামের কাছ থেকে গিয়াসউদ্দিন আল মামুন ২০ কোটি ৪১ লাখ ২৫ হাজার ৮৪৩ টাকা নেন। সিঙ্গাপুরে এই টাকা লেনদেন হয়। এরপর মামুন ওই অর্থ সিঙ্গাপুরের ক্যাপিটাল স্ট্রিটের সিটি ব্যাংক এনএতে তার নামের ব্যাংক হিসাবে জমা করেন। এই টাকার মধ্যে তারেক রহমান তিন কোটি ৭৮ লাখ টাকা খরচ করেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।