কেশবপুরে কলেজ কক্ষে হিসাব রক্ষকের রহস্যজনক মৃত্যু

কেশবপুর ডিগ্রী কলেজের নিজ কক্ষে হিসাব রক্ষক শওকত আলী রবিবার আত্মহত্যা করায় গুঞ্জন শুরু হয়েছে। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে সোমবার ময়না তদন্তে পাঠিয়েছেন। প্রত্যক্ষ দর্শীরা জানান, শওকত আলী(৫২) বড়েঙ্গা গ্রামের মৃত আদিলউদ্দিন মানের ছেলে। রবিবার সে অফিস থেকে বাড়ি না ফেরায় বাড়ির লোকেরা তাকে ফোন করে মোবাইল ফোনটি বন্ধ পায়। তারপর তাঁরা কলেজে এসে দেখতে পায় শওকত আলীর মৃতদেহ অফিস কক্ষের এ্যাঙ্গেলবারে রশি দিয়ে ঝুলানো। এ সময় ভাইপো আব্দুর রহমান ও ভগ্নিপতি আব্দুল হালিম লাশ নিচে নামায়। এদিকে ঝুলন্ত লাশ উদ্ধারকালে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এ সময় তার হাতে ও পায়ে কাদা মাটি লাগানো ছিলো। এবং তার হাতে চশমা ছিলো। তার মৃত্যুর খবরে গোটা কেশবপুর জুড়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক গুঞ্জন। নিয়োগ বাণিজ্যের টাকা নিয়ে কয়েকজনের সাথে তার দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব চলে আসছিলো। দ্বন্দ্বের কারণে শওকত আলীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটতে পারে বলে প্রচারণা আছে। কলেজের অধ্যক্ষ রফিকুল বারী জানান, শওকত আলী রবিবার অফিসে কাজ করেছেন। যতদূর শুনেছি শওকত আলী পারিবারিকভাবে অনেক দায়-দেনা ছিলো, বিশেষ করে বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে পরিশোধ করতে পারেননি।