আমরা পল্লী বিদ্যুতের মিটার ও সংযোগ কবে পাবো?

সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ উপজেলাধীন হাটপাঙ্গাশী বাজার এলাকার বেশ কয়েকজন নতুন গ্রাহক আবাসিক / বাণিজ্যিক পল্লী বিদ্যুত্ সংযোগের জন্য আবেদন করেছেন। কিন্তু পাঁচ বছর অপেক্ষার পরও বিদ্যুতের নতুন সংযোগ ও মিটার মিলছে না! আমি ৭-৮-২০০৮ তারিখে একটি বাণিজ্যিক মিটারের জন্য আবেদন করেছি (রশিদ নম্বর-৩৬৬১৭১,ফর্ম নম্বর-৫)। কিন্তু আজ অবধি মিটার ও সংযোগ পাইনি ! আমার মতো আরো অনেক ভুক্তভুগি আছেন যাঁরা পাঁচ বছর ধরে ধানঘরা পল্লীবিদ্যুত্ অফিসে দেন-দরবার ঘোরাঘুরি করছেন অথচ কোনো ফল পাচ্ছেন না ! রায়গঞ্জ পল্লীবিদ্যুত্ অফিস গত বছর থেকে বলে আসছে যে বিদ্যুত্ উত্পাদন ও সরবরাহ বাড়লে বিদ্যুত্ সংযোগ দেওয়া হবে! বতমান সরকারের সময়ে দেশে বিদ্যুত্ উত্পাদন বেড়েছে সরবরাহও বেড়েছে এবং সরকার ইতিমধ্যে দেড় লাখ নতুন মিটার পল্লীবিদ্যুেক দিয়েছে পল্লী এলাকায় নতুন সংযোগ দেওয়ার জন্য। কিন্তু এখন পর্যন্ত আমাদের এলাকায় নতুন সংযোগের নিশ্চয়তা নেই! আমরা ভীষণ হতাশ! আমি বেশ কয়েকবার পল্লীবিদ্যুত্ অফিসে ডিজিএম সাহেবের সঙ্গে দেখা করেছি। সাবেক ও বর্তমান ডিজিএম মহোদয় আবেদনপত্রে নতুন সংযোগ দেবার জন্য লিখিত অনুমতি দিয়েছেন। কিন্তু মাঠ পর্যায়ের ইনস্পেকটর সাহেব তদন্ত করে জানিয়েছেন সংযুক্ত এলাকার ট্রান্সফরমারের লোড না বাড়ালে বৈদ্যুতিক মিটার ও সংযোগ মিলবে না! ট্রান্সফরমারের লোড বৃদ্ধির জন্য আমাদের কী করণীয় সে কথাও জানতে চেয়েছি, পাঁচ বছর ধরে তাঁরা যা বলছেন তাই করছি কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না! একারণে পার্শ্ব সংযোগের জন্য প্রতি মাসে জরিমানা দিতে হয় এবং ৩০০ ইউনিটের বেশি বিদ্যুত্ ব্যবহার করার জন্য বাণিজ্যিক মিটার হিসেবে প্রতি ইউনিট বিদ্যুত্ ৯ টাকা হারে কিনতে হচ্ছে! তারপরও আমরা বিদ্যুত্ সংযোগ চাইছি। পল্লীবিদ্যুত্ যদি সরকারি মালিকানা হয় তবে গ্রাহককে পোল মিটার ট্রান্সফরমার এসব কিনতে হবে কেন? এসব তদন্ত করা প্রয়োজন! পল্লীবিদ্যুত্ যদি সমিতি হয় তবে গ্রাহককে হয়রানি হতে হয় কেন? কেন বছর বছর বিদ্যুতের মিটার ভাড়া নেওয়া হয়? নিয়মতান্ত্রিকভাবে অবিলম্বে পল্লীবিদ্যুতের নতুন সংযোগ ও মিটার প্রদান এবং শিল্পাঞ্চলের তুলনায় অনুত্পাদনশীল পল্লী এলাকায় বিদ্যুতের মূল্য হ্রাস করার জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে বিনীত আবেদন জানাচ্ছি। ডা. মো. আতিকুর রহমান সরকার, গ্রাম ও ডাকঘর : হাটপাঙ্গাশী, রায়গঞ্জ, সিরাজগঞ্জ ৬৭০০