গরুর খামারে স্বাবলম্বী সোনাতলার মজিদ
সোনাতলা (বগুড়া) সংবাদদাতা
প্রকাশ : ১৫ আগস্ট ২০১৩, ২১:২৬
গরুর খামার দিয়ে স্বাবলম্বী হয়েছেন সোনাতলা উপজেলার কাবিলপুর গ্রামের আব্দুল মজিদ। এলাকার জনসাধারণের দুধের চাহিদা পূরণে খামারটি কাজে লাগছে।
মজিদ প্রথমে পার্শ্ববর্তী নামাজখালী গ্রামের শ্রী সুভাস ঘোষের কাছ থেকে বাছুরসহ ফ্রিজেন জাতের একটি গাভী ক্রয় করে খামার চালু করেন। ওই গাভী থেকে পর্যায়ক্রমে ৩টি বাছুর জন্ম হয়। তিনটির মধ্যে ২টি বকনা। অপরটি এঁড়ে বাছুর। গাভীর দুধ বিক্রি করে টাকা গচ্ছিত রাখেন মজিদ। এঁড়ে বাছুরটি বড় হলে তা বিক্রি করে একটি গাভী ক্রয় করেন। আর বকনা বাছুরটি বড় হয়ে গাভীতে পরিণত হয়। এমনিভাবে আব্দুল মজিদের খামারে গরু বাড়তে থাকে। বর্তমানে তার খামারে ফ্রিজেন ও সাইওয়ান জাতের ছোট-বড় ৮৩টি গরু রয়েছে। এর মধ্যে বর্তমানে দুধ দেয় ২২টি গাভী। এ থেকে প্রতিদিন ২৫০ লিটার দুধ হয়। তিনি প্রতি লিটার দুধ বিক্রি করেন ৪০ টাকা। এতে দৈনিক দুধ বিক্রি করে আয় হয় প্রায় ১০ হাজার টাকা। আর প্রতি মাসে গোবর বিক্রি করে আয় হয় ৬ হাজার টাকা। গোবর থেকে তিনি বায়োগ্যাস উত্পাদন করে তা বাড়িতে রান্নার কাজে লাগান। গরু রাখার জন্য সেড তৈরি করা হয়েছে ৬টি।
আব্দুল মজিদ জানান, আমার স্ত্রী ও চার কর্মচারী নিয়মিত খামার পরিষ্কার ও গরুর দেখভাল করেন। খামার করতে তিনি দু’একটি এনজিও থেকে ঋণ গ্রহণ করেছেন। তবে কোন ব্যাংক থেকে ঋণ নেননি। মজিদ বলেন, খামার করার আগে আমার সাংসারিক অবস্থা তেমন ভাল ছিল না। খামার করে আমি এখন স্বাবলম্বী হয়েছি। মজিদের দুই ছেলে। বড় ছেলে শাহাদত্ হোসেন বগুড়া সরকারি আযিযুল হক কলেজে মাস্টার্স পরীক্ষা দিয়েছে। আর ছোট ছেলে মোঃ আজাদ ঢাকায় স্ট্যাম্পফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে সাংবাদিকতার ওপর অনার্স কোর্সে অধ্যয়ন করছে।