রবসনকে নিয়ে ইংলিশ ও
অজিদের লড়াই
প্রকাশ : ১৬ আগস্ট ২০১৩, ২২:১৪
অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটের কর্তা ব্যক্তিরা ওপেনার স্যাম রবসনকে দেশে ফেরানোর একটি পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছেন যাতে করে তাদের পুরনো প্রতিদ্বন্দ্বী ইংল্যান্ড ক্রিকেটারটির নাগাল না পায়। গতকাল শুক্রবার গণমাধ্যমে এ খবর প্রকাশিত হয়।
সিডনিতে জন্ম নেয়া ২৪ বছর বয়সী রবসন এবারের ইংলিশ কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে মিডলসেক্সের হয়ে সর্বাধিক রান করেছেন এবং অ্যাসেজ কেন্দ্রিক টানাটানির কারণে নজর কাড়ছেন। নটিংহ্যাম সিটি থেকে মা আসা মায়ের সন্তান রবসনকে বর্তমানে চাইলেও নিউ সাউথ ওয়েলসের (এনএসডব্লিউ) হয়ে খেলানো যাবে না। কারণ অস্ট্রেলিয়ায় জন্ম হলেও তিনি কাউন্টি খেলছেন ব্রিটিশ পাসপোর্টে।
তবে দ্বৈত পাসপোর্টধারীদের ঘরোয়া টুর্নামেন্টগুলোতে খেলার জন্য বিদ্যমান আইনে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একটি পরিবর্তন আনলেই চলতি বছরের শেষের দিকে রবসনের নিউ সাউথ ওয়েলসে যোগদান সম্ভব বলে জানায় ফেয়ারফক্স।
এদিকে অস্ট্রেলীয় রাজ্যটির পক্ষ থেকে যথেষ্ট আগ্রহ দেখা যাচ্ছে রবসনের প্রতি। রবসনের বাবা জিম সিডনি ক্রিকেট গ্র্যাউন্ডে একটি ইন্ডোর সেন্টার চালান। দক্ষিণ গোলার্ধের গ্রীষ্মকালে এই ব্যাটসম্যান সিডনির ক্লাব ক্রিকেটে খেলার সময় সেখানে প্রশিক্ষণ নেন।
এনএসডব্লিউ ক্রিকেট এক বিবৃতিতে এএফপিকে জানায়, ‘বর্তমান আইন অনুযায়ী স্থানীয় খেলোয়াড় হিসেবে স্যাম শুধুমাত্র অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলতে পারবে। কারণ সে এখানেই জন্মগ্রহণ করেছে। সে যদি স্থানীয় বিবেচনায় আমাদের এখানে খেলতে চায় তাহলে তাকে স্থানীয় হিসেবে ইংল্যান্ডের কাউন্টি ক্রিকেট ছাড়তে হবে। তাহলেই কেবল সে বিদেশে বসবাসকারী খেলোয়াড় হিসেবে বিবেচিত হবে।’
ফেয়ারফক্সের খবর অনুযায়ী ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া রবসনকে গ্রীষ্মে শেফিল্ড শিল্ডের প্রথম মাচে এনএসডব্লিউর হয়ে খেলার আমন্ত্রণ জানাবে। তাহলে তিনি অ্যালিস্টার কুকের অ্যাশেজ জয়ী দলের বিপক্ষে খেলার সুযোগ পাবেন। ব্রিসবেনে অনুষ্ঠিতব্য সিরিজের প্রথম টেস্টের এক সপ্তাহ আগে চারদিনের এই ম্যাচটি আগামী ১৩ নভেম্বর সিডনীতে অনুষ্ঠিত হবে। এমনকি এই ম্যাচটিতে ভাল করলে অ্যাশেজে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলার জন্য ডাকও পেতে পারেন।
কাউন্টিতে ৬২.০৬ গড়ে ৯৯৩ রান সংগ্রহ করা এবং তিনটি সেঞ্চুরি হাঁকানো খেলোয়াড়টিকে দেশে ফেরানোর পরিকল্পনাটি কেবল গত পক্ষ থেকেই জোরেশোরে মাঠে গড়িয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষ করে যখন জানা গেল যে বসবাসের সুবাদে তিনি ইংল্যান্ডকে প্রতিনিধিত্বের জন্য প্রত্যাশিত সময়ের চাইতে এক বছর আগেই যোগ্যতা অর্জন করেছেন। এএফপি