চিতলমারী হাসপাতালে ওটি বন্ধ ১৪ বছর, শূন্য পদ ২২টি
চিতলমারী (বাগেরহাট) সংবাদদাতা
প্রকাশ : ১৬ আগস্ট ২০১৩, ২২:২৫
চিতলমারী হাসপাতালটি ৩১ থেকে ৫১ শয্যায় উন্নীত হলেও সকল সুযোগ, পথ্য থেকে বঞ্চিত এ অঞ্চলের হাজার হাজার মানুষ। বন্ধ রয়েছে দীর্ঘ ১৪ বছর হাসপাতালের ওটি রুম। এ অঞ্চলে চিকিত্সাসেবা পেতে আসা হাসপাতালের কয়েকশ নারী-পুরুষ ও শিশু প্রতিদিন বিড়ম্বনার শিকার হয়ে ফিরতে হচ্ছে ঘরে।
জানা গেছে, ৩১ শয্যা হাসপাতালটি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ১৮ মে ১৯৯৯ সালে উদ্বোধন করার পর জোড়াতালি দিয়ে চলতে থাকে। এ অঞ্চলের রোগীর সংখ্যা দিন দিন বেড়ে চলায় বর্তমান সরকার ৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০ শয্যার একটি নতুন ভবন নির্মাণ করে ৫১ শয্যায় উন্নীত করে। বাগেরহাট-১ আসনের এমপি শেখ হেলাল উদ্দিন ২০১১ সালের ২২ জুন ৫১ শয্যা হাসপাতালের উদ্বোধন করেন।
উদ্বোধনের পর অদ্যাবধি হাসপাতালটির ইনডোর চালু না হওয়ায় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে সরকারি অনেক মালামাল। শূন্য পদের মধ্যে রয়েছে ১ জন আরএমও, ১ জন জুনিয়র কনসালটেন্ট (গাইনি), ১ জন জুনিয়র কনসালটেন্ট (এন), ১ জন এনেসথেসিয়া, ২ জন মেডিক্যাল অফিসার, ১ জন ডেন্টাল সার্জন, ৫ জন এ্যাসিস্ট্যান্ট সার্জন, ইউএইচ এন্ড এফ ডাব্লিউ (উসি), ১ জন পরিসংখ্যানবিদ, ১ জন ক্যাশিয়ার, ১ জন স্টোরকিপার, ১ জন মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট (ল্যাব), ১ জন সহকারী নার্স, ১ জন হেলথ ইন্সপেক্টর, ৪ জন হেলথ এ্যাসিস্ট্যান্ট। চিতলমারী হাসপাতালে ১২৫টি পদের মধ্যে ১০৩ জন কর্মরত রয়েছে। এ ব্যাপারে টিএইচও ডা. আ. সালাম জানান, হাসপাতালটি তার নিজস্ব গতিতে চলছে। কোন সমস্যা হচ্ছে না। জেলা সিভিল সার্জন জানিয়েছেন, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।