ভর্তিযুদ্ধ সম্পর্কে
প্রকাশ : ১৭ আগস্ট ২০১৩, ২১:২১
উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর ইদানীং উচ্চশিক্ষায় ভর্তি আলোচনার একটি বিষয়। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সনাতন প্রক্রিয়া অনেক বেশি উপযোগী। কারণ এখনও মাধ্যমিক বা উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ক্ষেত্রে শহর ও গ্রামের পরীক্ষা কেন্দ্র এক মানের নয়। পাসের সংখ্যার তুলনায় আসন সংখ্যা অতি সীমিত, তাই দুর্নীতির আশঙ্কা প্রচুর। তাছাড়া সব বিশ্ববিদ্যালয়ের এবং সব বিষয়ের মানও সমান নয়। কেমন ছাত্র কী বিষয় পড়লে বেশি ভালো করবে তা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদেরই ভালো বোঝার কথা। তাই ছাত্রদের বেছে নেওয়ার অধিকার তাদের থাকা উচিত।
কোচিং বাণিজ্য বন্ধ করার নামে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা বন্ধ করা প্রয়োজনীয় নয়। বরং প্রয়োজন স্কুল কলেজের শিক্ষক, অভিভাবক আর ছাত্রছাত্রীদের মানসিকতার পরিবর্তন। পৃথিবীর অন্যান্য দেশের উদাহরণ আমাদের আর্থসামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অলীক কল্পনা।
পাবলিক পরীক্ষা আর প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা এক নয়। বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা ছাত্রছাত্রীদের চাকরির প্রতিযোগিতায় সাফল্য অর্জনে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। প্রচলিত প্রক্রিয়ায় যদিও ভর্তি বাবদ ছাত্র তথা অভিভাবকদের খরচ বৃদ্ধি পায় তবুও পরিণামে এটাই সবচেয়ে ভালো বলে আমার মনে হয়। আর শিক্ষাব্যবস্থার এমন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে গিনিপিগের মতো গবেষণা ঠিক হবে কিনা তাও বিবেচনা করা উচিত।
রাজন কুমার রায়
এয়ারক্রাফট মেন্টেইনেন্স পার্সোনাল, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স