শেখ জামালের অনুশীলন শুরু

পেশাদার ফুটবল মৌসুম শুরু হওয়ার আগেই অনুশীলনে নামছে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব। আজ থেকে ক্লাব মাঠে অনুশীলন শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। বিদেশি কোচ খেলোয়াড়রা এরই মধ্যে ঢাকায় আসতে শুরু করেছেন। আগে ভাগে দলের প্রস্তুতি নিতেই শেখ জামাল মাঠে নামছে। খেলোয়াড়দের ফিটনেস নিয়ে চিন্তায় শেখ জামাল। খেলোয়াড়রা ফিট না থাকলে মাঠেও তারা ভালো করতে পারবে না। ফিটনেস ট্রেনিংটা ভালোভাবে করতে ম্যারাডোনার দেশ আর্জেন্টিনা থেকে আনা হয়েছে আরিয়েল কোলম্যানকে আনিয়েছেন ক্লাব। ২০০৫ সালে বাংলাদেশ ফুটবল দলের আর্জেন্টাইন কোচ আন্দ্রেস ক্রুসিয়ানির সাথেই ঢাকায় কাজ করছেন কোলম্যান। আবার তিনি ঢাকায় এলেন শেখ জামালের হয়ে কাজ করবেন। শুক্রবার কোলম্যানই শুধু ঢাকায় আসেননি। শেখ জামালে এসেছেন শেখ রাসেলের উইংগার হাইতির ফুটবলার সনি নর্দে, তার পছন্দের স্বদেশি স্ট্রাইকার ওয়েডসন অ্যানস্লিম এসেছেন। ফিরেছেন নাইজেরিয়ান কোচ যোসেফ আফুসি, তিনি সাথে এনেছেন স্বদেশি আলী আব্দুল্লাহকে। শেখ জামাল ফুটবল দলটাকে সেরা শক্তিতে পরিণত করতে কোমর বেঁধে নেমেছেন দলের নীতি নির্ধারকরা। বিদেশি কোচ খেলোয়াড় ফিটনেস কোচ সবই আনছেন তারা। এখন থেকে শুরু করতে চান অনুশীলন। নতুন মৌসুমের জন্য বেশ কিছু ফুটবলারও দলে নিয়েছে শেখ জামাল। কিন্তু তাদের বেশির ভাগই এখন জাতীয় দলের অনুশীলনে। যে কারণে হাতের কাছে যারা রয়েছেন তাদের নিয়েই অনুশীলন মাঠে নামতে চায় ক্লাব। জাতীয় দলে ক্রুইফের অধীনে রয়েছেন নিজেদের ফুটবলার নাসির উদ্দিন চৌধুরী, রায়হান হাসান, ইয়ামিন মুন্না। তাছাড়া অন্যান্য দল থেকে যাদের নেয়া হয়েছে তারা হলেন শেখ রাসেলের মামুনুল ইসলাম, লিংকন, মোহামেডানের মোবারক হোসেন, সোহেল রানা, বিজেএমসির তকলিস আহমেদ, কেষ্ট কুমার এবং আবাহনীর শাখাওয়াত হোসেন রনি। নেপালে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শেষ হলে তারা জামালের ক্যাম্পে যোগ দেবেন। আপাতত দলে থাকা চার গোলকিপার জিয়া, হিমেল, মোস্তাক, রিয়াদের সাথে আছেন মুক্তিযোদ্ধা থেকে জুলহাস, মোহামেডানের ইয়াসিন, ফেনীর সকার ক্লাবের শাহেদ, নিজেদের ফুটবলার এসকে রানা, এবং সেনাবাহিনী থেকে নেয়া দিদার। এছাড়াও শেখ জামালের একাডেমি ৪৭ জন থেকে বাছাইকৃত ১৮ জন ফুটবলারও আফুসির অধীনে তালিম নেবেন। জাতীয় দলের ফুটবলাররা ফিরলে একাডেমির খেলোয়াড়রা একাডেমিতে ফিরে যাবেন। সেখানে তাদের জন্য রয়েছে আফ্রিকান কোচ।