চূড়ান্ত দলটাই করতে পারছেন না ক্রুইফ
প্রকাশ : ১৯ আগস্ট ২০১৩, ২১:১৮
আজ বাদে কাল সাফ ফুটবল খেলতে যাবে বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচই নেপালের বিরুদ্ধে আগামী ৩১ আগস্ট। অথচ এখন পর্যন্ত চূড়ান্ত দলটাই করতে পারছেন না বাংলাদেশ দলের ডাচ কোচ লুডভিক ডি ক্রুইফ। ২৪ জনের দল থেকে ২০ জনের দলে পরিণত করতে গিয়ে চুল ছিড়তে হচ্ছে টোটাল ফুটবল জনক রাইনাস মিশেলসের দেশের কোচ ক্রুইফকে।
সাফ ফুটবলে অংশ নিতে নেপালে ২৫ আগস্ট যাবে বাংলাদেশ দল। তার আগে চূড়ান্ত দলটা নিয়ে প্রতিপক্ষকে কিভাবে মোকাবিলা করবেন তা নিয়ে গেম প্ল্যানের মধ্যে থাকবেন ক্রুইফ, এটাই হওয়ার কথা ছিল। অথচ হচ্ছে তার উল্টো। জুলাইয়ে অনুশীলন শুরু করে ক্রুইফ নাকি তার ছেলেদের পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতাই খুঁজে পাচ্ছেন না। অথচ থাইল্যান্ডে গিয়েও ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ দল। ৩১ আগস্ট নেপালের বিরুদ্ধে ম্যাচ বাংলাদেশের। তিনি এখনো দলটাকে দেখতে চান। গতকাল সকালে অনুশীলন শেষে সংবাদ মাধ্যমকে ক্রুইফ জানিয়েছেন খেলোয়াড়দের নাকি ফিনিশিং নেই। শেষ মুহূর্তে এসে দল নিয়ে এসব হতাশার কথা শোনাচ্ছেন।
গতকাল অনুশীলন মাঠে ক্রুইফের কাছে প্রশ্ন ছিল, কেন মালয়েশিয়া সফর বাতিল করলেন তিনি? মালয়েশিয়ায় যাওয়া-আসা তিন দিন দেশের বাইরে থাকা, ভ্রমণ ক্লান্তিতে প্রস্তুতির ব্যাঘাত ঘটতো বলে মনে করছেন ক্রুইফ। তার কথাই যদি সত্যি হয়, তাহলে অনুশীলন ফেলে রেখে ক্রুইফই বা কিভাবে আট দিন দেশে কাটিয়ে এলেন?
যত সমস্যার কথা এখন শোনা যাচ্ছে তিনি দেশে যাওয়ার আগে তার কিছুই শোনা যায়নি। ক্রুইফদের জন্য বেতন সুযোগ-সুবিধা দিতে গিয়ে গলদঘর্ম হচ্ছেন বাফুফে সভাপতি কাজী সালাহউদ্দিন। রাত পোহালেই টাকা গুনতে হয় তাকে। এদেশের ফুটবল অনুরাগীরা তাকিয়ে আছে সাফের দিকে। সাফের কথা মাথায় রেখে কোচ যা চেয়েছেন তার সবই পূরণ করেছেন সালাহউদ্দিন, কাজী নাবিলরা। তারপরও একটা গুরুত্বপূর্ণ সময়ে অনুশীলন ফেলে রেখে কোচ বাড়ি গিয়েছেন। এখন যা পোষাতে গিয়ে সামর্থ্যের বাইরে চাপ নিতে হচ্ছে খেলোয়াড়দের। ইনজুরিতে পড়ছেন খেলোয়াড়রা। কেষ্ট কুমার বোস সীনবোনে আঘাত পেয়েছেন অনুশীলন ম্যাচে। পরশু তার হাসপাতালে যাওয়ার কথা ছিল এমআরআই করার জন্য। কিন্তু যাননি। গতকাল সন্ধ্যায় যাওয়ার কথা শোনা গেছে। চ্যালেঞ্জ কাপে এই কেষ্ট ভালো খেলেছিলেন। এখন শেষ মুহূর্তে এসে ইনজুরিতে পড়লেন কেষ্ট। এমআরআই রিপোর্ট পাওয়ার পর কেষ্টর দলে থাকা না থাকার বিষয়টি চূড়ান্ত হবে।