বাঁশখালী উপকূলে উজাড় হচ্ছে ঝাউবন

দক্ষিণ চট্টগ্রামের বাঁশখালী সাগর উপকূলের বেড়িবাঁধ সংলগ্ন মনোরম ঝাউগাছ কেটে নিধনের মাধ্যমে দিন দিন ঝাউবাগান উজাড় করে দিচ্ছে দুর্বৃত্তরা। ১৯৯১ সালের ভয়াল জলোচ্ছ্বাসের পর উপকূলের বেড়িবাঁধ রক্ষায় সাগর চরে এসব ঝাউবাগান সৃজন করে বনবিভাগ। উপকূলের ঝাউবাগান নিধনের ফলে চরম ঝুঁকি ও হুমকির মুখে পড়েছে বেড়িবাঁধ ও উপকূলবাসী। স্থানীয়রা জানান, বনবিভাগের বাঁশখালী উপকূলীয় রেঞ্জ কর্মকর্তাদের যোগসাজশে গত এক সপ্তাহে লক্ষাধিক টাকা মূল্যের শতাধিক গাছ কেটে সাবাড় করা হয়েছে। তারা জানান, ঝাউগাছের লাকড়ি বানিয়ে মাহবুব আলম তার দোকানের জ্বালানি হিসেবে ব্যবহারের পাশাপাশি নিজ বাড়ি, পুকুর এবং দোকানে বহু গাছ লুকিয়ে রেখেছেন। স্থানীয় ইউপি সদস্য আবদুল মাবুদ জানান, একটি সিন্ডিকেট পরিকল্পিতভাবে সাগর চরের ঝাউবন নিধন করে উপকূলবাসীকে হুমকির মুখে ফেলে দিচ্ছে। সারি সারি ঝাউগাছ নিধনের ফলে বেড়িবাঁধও বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। তিনিও ঝাউবাগান নিধনে বনকর্মীদের দায়সারা ভাব ও তাদের আচরণকে দায়ী করেন। খানখানাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু ছিদ্দিক আবু জানান, দুর্বৃত্তরা ঝাউগাছ নিধন করলেও বনবিভাগ কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। বিষয়টি আমরা উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অবহিত করেছি।