দেশের ১০ শতাংশ মানুষ চোখের সমস্যায় ভুগছেন
প্রকাশ : ২০ আগস্ট ২০১৩, ২২:১২
দেশের দারিদ্র্যপীড়িত মানুষ মূলত অসচেতনতার জন্য অন্ধত্বকে বরণ করে নেয় । অসচেতনতার জন্যই দেশের ৮ থেকে ১০ শতাংশ মানুষ চোখের সমস্যায় ভোগে বলে গবেষণালব্ধ ফলাফল প্রকাশ করেছে চাইল্ড সাইট ফাউন্ডেশন। গতকাল নগরীর একটি হোটেলে শিশু অন্ধত্ব নিরোধ বিষয়ে একটি আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠানে এই ফলাফল প্রকাশ করা হয়। সিরাজগঞ্জ জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে ২০১২ সালের নভেম্বর থেকে ২০১৩’র এপ্রিল পর্যন্ত ছয়মাস গবেষণা করে ১৯ থেকে ৪৯ বছর বয়সী মানুষের দৃষ্টি সমস্যার নানা দিক তুলে আনা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন এনজিও ব্যুরোর মহাপরিচালক নুরুন নবী তালুকদার, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অরবিস ইন্টারন্যাশনালের কাউন্ট্রি ডিরেক্টর ডঃ মুনির আহমেদ।
অনুষ্ঠানে মূল প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন শিশু অন্ধত্ব বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডঃ এম এ মুহিত।
তিনি বলেন, ৮০ শতাংশ মানুষই জানে না তারা চোখের সমস্যায় ভোগেন। ছানির বিষয় অসচেতনতা মানুষকে অন্ধ করে দেয়। নুরুন নবী তালুকদার বলেন, সব মানুষই কোন না কোন বিষয় প্রতিবন্ধী। তাই প্রতিবন্ধীদের অসম্মান করার কোন কারণ নেই। এখন সমাজ অনেক বদলেছে। সকল ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধীদের গ্রহণ করার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রতিবন্ধীরা তাদের পেশায় সফলতার স্বাক্ষর রাখছেন।
অধ্যাপক এম এ মুহিত উদ্ভাবিত কি ইনফরমেন্ট মেথড (কওগ) প্রয়োগের মাধ্যমে শিশু অন্ধত্ব নিরোধের কার্যকর কৌশল বিষয়ক এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে ছয়টি দেশের ছয়জন গবেষক অংশ নেন। বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, পাকিস্তান, ফিলিপাইন এবং ভিয়েতনামের চারজন অপথালমোলোজিস্ট এবং দুজন আই কেয়ার ম্যানেজার এই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশ নেন। বাংলাদেশে দ্বিতীয়বারের মত এই কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতবার এই কর্মশালায় পাঁচটি দেশের ৬ জন গবেষক অংশ নেন। এই কর্মশালার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে অংশগ্রহণকারীদেরকে অনেক সহজে এবং সাধ্যের মধ্যে অন্ধ শিশু খুঁজে বের করার বিভিন্ন উপায় সম্পর্কে অবহিত করা।
সিএসএফ, এশিয়ান ইন্সটিটিউট অফ ডিজঅ্যাবিলিটি এন্ড ডেভেলপমেন্ট (অওউউ), ইউনিভার্সিটি অফ সাউথ এশিয়া এবং লাইট ফর দ্যা ওয়ার্ল্ড যৌথভাবে এই কর্মশালাটির আয়োজন করে।