বঙ্গোপসাগরে ট্রলারসহ ১০ জন আটক
পাথরঘাটা (বরগুনা) সংবাদদাতা
প্রকাশ : ২০ আগস্ট ২০১৩, ২২:২৩
নিদ্রা সখিনা ক্যাম্পের কোস্টগার্ড সদস্যরা রবিবার রাতে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরের পক্ষিদিয়া নামক স্থান থেকে জলদস্যু সন্দেহে এফবি মায়ের দোয়া নামক একটি ট্রলারসহ ১০ জেলেকে আটক করেছে। রাতেই তাদের তালতলী থানায় হস্তান্তর করে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আটককৃত জেলেরা হচ্ছে— নাসির উদ্দিন মুন্সি, শাহাদাত হোসেন, জাকির হোসেন সিকদার, শুক্কুর আলী বেপারী, দুলাল খান, নবি হোসেন মীর, ইউসুফ পঞ্চায়েত, বাবুল খান, রাসেল মীর ও বেল¬াল শরীফ। এদের বাড়ি বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে। কোস্টগার্ড সদস্যরা তাদের কাছ থেকে রামদা ও দেশীয় অস্ত্রসহ প্রায় লক্ষাধিক টাকার জাল ও অর্ধলক্ষ টাকার ইলিশ মাছ উদ্ধার করেছে।
পাথরঘাটা কোস্টগার্ডের স্টেশন কমান্ডার লে. গোলাম রব্বানী জানান, সখিনা ক্যাম্পের কোস্টগার্ডের পেটি অফিসার কন্টিনজেন্ট লিডার শহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে রবিবার রাতে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগর থেকে জলদস্যু সন্দেহে এফবি মায়ের দোয়া ট্রলারকে ধাওয়া করে। ট্রলারটিকে পক্ষিরচর নামক স্থান থেকে আটক করে। এ সময় ট্রলারের মাঝি পালিয়ে যায়।
তবে আটককৃত মায়ের দোয়া ট্রলারের মালিক পাথরঘাটার ইলিয়াস আলী জানিয়েছেন, জেলেরা ট্রলারে মাছ ধরে পাথরঘাটায় ফিরছিল। এসময় কোস্টগার্ড সদস্যরা আরেকটি মাছ ধরা ট্রলারে তাদের ধাওয়া করে। জেলেরা কোস্টগার্ড সদস্যদের চিনতে না পেরে জলদস্যু মনে করে বাঁচার জন্য পালানোর চেষ্টা করেছিল। তিনি আরো দাবি করেন, কোস্টগার্ড নিজস্ব ট্রলার নিয়ে অভিযান চালালে জেলেরা বিভ্রান্ত হতো না। তাছাড়া যে অস্ত্রের কথা বলা হচ্ছে, তা সকল মাছ ধরা ট্রলারেই থাকে। তিনি এ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন। একই সঙ্গে ১০ লক্ষাধিক টাকার মাছ ও জাল ফেরত চেয়েছেন।