ঢাকায় সস্ত্রীক পুলিশ কর্মকর্তা হত্যা

হালুয়াঘাটে মাহফুজুরের গ্রামের বাড়িতে কান্নার রোল

হালুয়াঘাটের নিহত পুলিশ ইন্সপেক্টর মাহফুজুর রহমানের গ্রামের বাড়িতে এখনো চলছে কান্নার রোল। সোমবার ঐশীর দাদার বাড়িতে গিয়ে দেখা গেছে পুত্রের শোকে মা মুকছেদা খাতুন মুহ্যমান। তার কান্না কিছুতেই থামছে না। মুকছেদা খাতুনের সাথে মরাগাংকান্দা গ্রামে চলছে শোক। শোকাতুর গ্রামবাসী এই ঘটনায় মর্মাহত। নিহত পুলিশ ইন্সপেক্টরের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, হালুয়াঘাট উপজেলায় মরাগাংকান্দা গ্রামে মাহফুজুর রহমানের জন্মস্থান হলেও ঐশীর জন্ম হয়েছে ১৯৯৫ সালে খুলনার দৌলতপুরে আঞ্জুমান ক্রসরোডে তার নানা সিদ্দিকুর রহমানের বাসায়। সিদ্দিকুর রহমানের মূল বাড়ী রাজবাড়ী জেলায় হলেও ব্যবসায়িক কারণে ঐ সময় তিনি খুলনার দৌলতপুরে স্থায়ীভাবে বসবাস করতেন। মতিঝিল আইডিয়াল স্কুলে তার শিক্ষা জীবন শুরু হলেও ২০১১ সালে তাকে ভর্তি করা হয় ধানমন্ডির অক্সফোর্ড ইন্টারন্যাশনাল ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে। ঐশীর চাচা মশিহুর রহমান জানান, সর্বশেষ গত ঈদ-উল-আযহার সময় বাবা-মা’র সাথে ঐশী তার দাদার বাড়ি আসেন। মূল পাঠ্যবিষয়ের বাইরে বহির্বিশ্ব সম্পর্কে ঐশীর জ্ঞান অন্বেষণের চেষ্টা ছিল বলে তার চাচা মশিহুর রহমান জানান। ১৭ বছরের মেয়ে ঐশী কিভাবে এত ভয়ঙ্কর হতে পারে তা বিশ্বাস করতে পারছেন না তার চাচা মশিহুর। কিশোরী ঐশীর হাতে তার পিতা পুলিশ ইন্সপেক্টর মাহফুজুর রহমান ও তার মাতা স্বপ্না রহমান খুন হয়েছেন একথা বিশ্বাস করতে পারছেন না তার আত্মীয়-স্বজন। এ হত্যাকাণ্ডের পিছনে কুচক্রী মহলের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে তাদের ধারণা।