কেশবপুরে বাল্য বিয়ে থেকে রক্ষা পেল মাদ্রাসা ছাত্রী
প্রকাশ : ২১ আগস্ট ২০১৩, ২১:০২
যশোরের কেশবপুরে বাল্য বিয়ের উদ্যোগ নেয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালত ৭ম শ্রেণির ছাত্রী মুক্তা খাতুনের পিতাকে ৭ দিনের কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিস সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বুধবার দুপুরে উপজেলার বসুন্দিয়া গ্রামের শাহাবুদ্দিনের মেয়ে মঙ্গলকোট দাখিল মাদরাসার ৭ম শ্রেণির ছাত্রী মুক্তা খাতুনের (১১) সাথে একই উপজেলার কুশুলদিয়া গ্রামের নাজিমুদ্দিনের বিবাহের প্রস্তুতি চলছিল। বর পক্ষও কনের বাড়িতে হাজির হয়।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু সায়েদ মো. মনজুর আলম ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মৌসুমী আক্তার পুলিশ ফোর্স নিয়ে হাজির হন বসুন্দিয়া গ্রামের শাহাবুদ্দিনের বাড়ির বিয়ের মজলিসে। এ সময় প্রশাসনের উপস্থিতি জানতে পেরেই বরসহ বরযাত্রীরা দ্রুত পালিয়ে যায়। এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট পুলিশকে মেয়ের পিতাকে আটক করার নির্দেশ দেন। বিকালে থানা পুলিশ মেয়ের পিতা শাহাবুদ্দিনকে নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু সায়েদ মো. মনজুর আলমের ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করলে আদালত তাকে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডাদেশ প্রদান করেন।