মেডিকেল টেকনোলজি :উজ্জ্বল ভবিষ্যতের হাতছানি
প্রকাশ : ২১ আগস্ট ২০১৩, ২১:৫৭
সময়ের একটি সম্ভাবনাময় পেশার নাম মেডিকেল টেকনোলজি। চিকিত্সা সেবায় ডাক্তারদের প্রাধান্য দেওয়া হলেও হাসপাতাল বা ক্লিনিক শুধু ডাক্তার দ্বারা পরিচালিত হয় না। প্রতিটি বিভাগে ডাক্তারদের সহকারী প্রয়োজন হয়। ডাক্তারদের সহকারী এসব বিশেষজ্ঞ কর্মীরাই মেডিকেল টেকনোলজিস্ট।
চাহিদা ও কাজের ক্ষেত্র :বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা’র পরিকল্পনা বাস্তবায়নে একজন গ্র্যাজুয়েট চিকিত্সকের বিপরীতে ৫-৬ জন মেডিকেল টেকনোলজিস্ট প্রয়োজন। সে হিসেবে বাংলাদেশে ২ লাখেরও বেশি মেডিকেল টেকনোলজিস্ট এখনই দরকার। চিকিত্সা বিজ্ঞানে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন সেবা যুক্ত হওয়ায় দক্ষ টেকনোলিস্টদের চাহিদাও বাড়ছে। বর্তমানে দেশে ইউনিয়ন, উপজেলা থেকে শুরু করে রাজধানী পর্যন্ত প্রচুর সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক ল্যাব রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানেও প্রচুর মেডিকেল টেকনোলজিস্ট দরকার। দেশের বাইরেও রয়েছে চাহিদা। ০১৭১৪৩০১৯২৫, ০১৯১৭১৬৩৩০৭, ০১৭৩০৯৫৫৭২৩ নম্বরে ফোন করে এই পেশার চাহিদা ও ক্যারিয়ার সম্পর্কে জানা যাবে।
আয় কেমন :মেডিকেল টেকনোলজির যেকোনো বিষয়ে ৩ বা ৪ বছরের ডিপ্লোমা শেষ করে শুরুতেই ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা বেতন পাওয়া যায়। পরবর্তী সময়ে কাজের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির সাথে সাথে তা ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে।
পড়ালেখা :মেডিকেল টেকনোলজিস্ট হিসেবে ক্যারিয়ার গড়তে চাইলে ন্যূনতম এসএসসি পাশের পর পছন্দের যেকোনো বিষয়ে ভর্তি হতে পারেন। কারিগরি শিক্ষা বোর্ড অনুমোদিত বিষয়গুলো হলো ল্যাবরেটরি মেডিসিন (প্যাথলজি), ডেন্টাল, ফার্মেসি, নার্সিং, ফিজিওথেরাপি, রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিং ও প্যারামেডিকেল। তিন বছর মেয়াদি কোর্স শেষে ১৮-২০ বছর বয়সেই মেডিকেল টেকনোলজিস্ট হিসেবে ক্যারিয়ার গড়া যায়। কোর্স শেষে মেডিকেল কলেজ, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, ভেটেরিনারি বিশ্ববিদ্যালয় বা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএসসি ও এমএসসি করার সুযোগও রয়েছে।
যোগ্যতা :ন্যূনতম জিপিএ ২.৫ সহ যেকোনো বিভাগ থেকে এসএসসি পাশের পর পছন্দের একটি কোর্সে ভর্তি হওয়া যায়।
কোথায় পড়বেন :মেডিকেল টেকনোলজি বিষয়ে কারিগরি শিক্ষাবোর্ড অনুমোদিত প্রথম প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব মেডিকেল সাইন্স (বিমস)। এখানকার কোর্সগুলো হচ্ছে ডিপ্লোমা ইন ল্যাবরেটরি মেডিসিন (প্যাথলজি), ফার্মেসি, রেডিওলোজি অ্যান্ড ইমেজিং, ডেন্টাল, ফিজিওথেরাপী, পেশেন্ট কেয়ার (নার্সিং) ও প্যারামেডিকেল। বিমস-এর ওয়েবসাইটে (www.bims-bd.com) ভর্তি ফরম যাওয়া যাবে। বিমস-এ রয়েছে অভিজ্ঞ শিক্ষকমণ্ডলী, সমৃদ্ধ লাইব্রেরি ও ল্যাব। ২০১২ সালে বিমস যুক্তরাজ্যের ‘বিজনেস ইনিশিয়েটিভ ডাইভারশান’ কর্তৃক ইন্টারন্যাশনাল কোয়ালিটি ক্রাউন অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে। যোগাযোগ :এন/২৩, নূরজাহান রোড, মোহাম্মদপুর, ঢাকা।