টঙ্গীতে অপহূত ভার্সিটি ছাত্রের লাশ জামালপুরে

মুক্তিপণের টাকা না পেয়ে হত্যার পর রাজধানীর এক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র রিয়াদের লাশ জামালপুরে গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। গতকাল বুধবার টঙ্গী থানায় আটক দুই অপহরণকারী তাদের অপরাধের কথা স্বীকার করে পুলিশকে এ তথ্য দিয়েছে। নিহত ছাত্রের নাম আবদুর রহমান রিয়াদ (২৫)। তার বাবার নাম খাজা মাইনউদ্দিন। নোয়াখালীর সেনবাগ থানার নবীনগর গ্রামে তার বাড়ি। উত্তরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রিয়াদ টঙ্গীর চেরাগ আলী এলাকায় বাবা-মার সাথে ভাড়া বাসায় থাকতেন। টঙ্গী থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জানান, গতকাল দুই আসামিকে পৃথক এলাকা থেকে আটক করা হয়। আটককৃতরা পুলিশকে জানায়, ২৩ জুলাই টঙ্গীর চেরাগ আলী এলাকা থেকে মোবাইল ফোনে চাকরি দেয়ার কথা বলে তারা রিয়াদকে অপহরণ করে। এরপর অপহরণকারীরা রিয়াদের বাবা-মার কাছে ৩০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। অপহরণকারীরা ২৪ জুলাই রিয়াদকে জামালপুরে নিয়ে ওই রাতেই হত্যা করে সদর থানার নুরুন্দি এলাকার একটি গাছের সঙ্গে লাশ ঝুলিয়ে রেখে পালিয়ে যায়। ওসি জানান, জামালপুর পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্ত শেষে বেওয়ারিশ লাশ হিসাবে সরকারি কবরস্থানে দাফন করে। ওই ঘটনায় জামালপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। টঙ্গী থানা পুলিশ জানায়, রিয়াদকে অপহরণের ঘটনায় ২৪ জুলাই টঙ্গী থানায় একটি অপহরণ মামলা করা হয়। এর আগে টঙ্গী মডেল থানার ওসির (তদন্ত) নির্দেশনায় ওই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাগর নামে এক আসামিকে আটক করে আদালতে পাঠিয়েছে। গতকাল দুই অপহরণকারীকে আটকের পর তাদেরই দেয়া তথ্যের মাধ্যমে রিয়াদ অপহরণ ও হত্যার ঘটনা বেরিয়ে আসে।