বিজ্ঞানী যেভাবে রাজসভা ছেড়ে যায়

মহামান্যের আনন্দ উপকরণ ফুরিয়ে আসে পরম পানীয় এবং অসূর্যম্পশ্যা রমণী হয়ে ওঠে আকর্ষণহীন অবিশ্বাস জুড়ে বসে অস্থিমজ্জায় সেনাপতি সান্ত্রী মন্ত্রীবর্গ কিন্তু আস্থাভাজন বলতে থাকে একটা কুকুর আর এক বুড়ো বিজ্ঞানী মহামান্য আদেশ দেন—ওকে ময়ূর করে দাও বিজ্ঞানী অনিন্দ্য করে তোলে বিপুল করতালিতে ফেটে পড়ে সভাকক্ষ শূন্যে ফোটাও একটা নীল গোলাপ— ফুটে ওঠে আশ্চর্যভাবে বিস্ময়ে চিত্কার দেন পারিষদবৃন্দ চন্দ্রভূক অমাবশ্যাকে বানাও মাঘীপূর্ণিমা— অভাবিত জোছনা ঝরে পড়ে এমন এক ভোটযন্ত্র হোক যেখানে ভোটার ছাড়াই সম্ভব নির্বাচন— তিনি নির্বাচিত হন আবারো বিপুল করতালি ও হর্ষধ্বনি তবু মহামান্যের বিষাদ ঘোচে না বিজ্ঞানী বানায় এক টাইম মেশিন মহামান্য অতিক্রম করে যান সময় আর তার কৃতকর্ম এবার পূজনীয় নির্দেশ দেন— আমাকে বড় করে দাও ইতিহাসের চেয়ে বিজ্ঞানী ডুবে যায় গভীর ক্লান্তি ও হতাশায় ইতিহাস হচ্ছে এক অমোঘ সত্য— সে বলে আর অবনত মস্তকে রাজসভার ভেতর দিয়ে চলে যায়— ধীরে যেখানে পৃথিবী সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে