জোকস
প্রকাশ : ২৩ আগস্ট ২০১৩, ১৯:৫৯
++ ব্রিটেনের রাজা পঞ্চম জর্জের খুব ডাকটিকিট জমানোর শখ ছিল। কোথাও ভালো বা দুর্লভ কোনো ডাকটিকিটের সন্ধান পাওয়া গেলে তিনি সেটি সংগ্রহ করতে অনেক অর্থ ব্যয় করতেও কার্পণ্য করতেন না। তো এরই মাঝে একদিন রাজা পঞ্চম জর্জের একান্ত সচিত এসে তাকে জানালেন, ‘স্যার, আজকের কাগজে দিয়েছে নাম প্রকাশ না করা কোনো এক আহাম্মক না কি চৌদ্দ শ পাউন্ড খরচ করে একটি ডাকটিকিট কিনেছে।’
উত্তরে রাজা পঞ্চম জর্জ বললেন, ‘হুমম! তুমি যাকে আহাম্মক বলছো সেটা আমি!’
++ বিখ্যাত লেখক ভল্টেয়ার তখন লন্ডনে নির্বাসিত জীবন কাটাচ্ছিলেন। একদিন রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় কয়েকজন ইংরেজ তাঁকে চিনতে পেরে চিত্কার করে বলে উঠল, ‘ওকে ফাঁসিতে ঝোলাও!’
একথা শুনে ভল্টেয়ার সাথে সাথে দাঁড়িয়ে পড়লেন এবং উচ্চস্বরে পাল্টা জবাব দেওয়ার জন্য বললেন, ‘আমি একজন ফরাসী বলে তোমরা আমাকে ফাঁসিতে ঝোলাতে চাও তাই তো। কিন্তু ইংরেজ হয়ে না জন্মানোর অপরাধেই কি আমার যথেষ্ট শাস্তি হয় নি!’
++ বিশ্বখ্যাত সুরকার বিটোফেন একবার আরেক বিখ্যাত কবি ও লেখক গ্যাটের সঙ্গে রাস্তা দিয়ে হাঁটছিলেন। এ সময় পথচারীদের অনেকেই তাদের একটু একটু পর পর শুভেচ্ছা জানাচ্ছিল বলে নিজেরা একে অন্যের সাথে ঠিকভাবে কথাও বলতে পারছিলেন না। আর এই নিয়েই খুব বিরক্তি প্রকাশ করছিলেন গ্যাটে। তবে তার এই বিরক্তিতে বিন্দুমাত্র বিচলিত না হয়ে বিটোফেন একসময় বলে উঠলেন, ‘বিরক্ত হবেন না, শুভেচ্ছাগুলো আমার উদ্দেশ্যেও তো হতে পারে।’
++ বিশ্বের প্রথম এভারেস্ট বিজয়ী তেনজিন নোরগে তখন বৃদ্ধ। তো একদিন তিনি যখন বসে বসে রোদ পোহাচ্ছিলেন তখন তার সাত বছরের নাতি হঠাত্ জানতে চাইল, ‘আচ্ছা দাদা তুমি এতকিছু থাকতে এভারেস্টের চূড়ায় উঠতে গেলে কেন?
‘যাতে তোমাদের আর ঐ চূড়ায় উঠতে না হয়।’—স্মিত হেসে উত্তর দিলেন নোরগে।