বিভিন্ন স্থানে পানিতে ডুবে ছাত্রীসহ ৬ জনের প্রাণহানি
প্রকাশ : ২৩ আগস্ট ২০১৩, ২১:২৩
দেশের বিভিন্ন স্থানে পানিতে ডুবে স্কুল ছাত্রীসহ ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। বরিশালে ২, বেলকুচিতে ১, লোহাগড়ায় ১ ও হালুয়াঘাটে ২ বোন মারা গেছে। খবর ইত্তেফাক প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের।
বরিশাল
সাঁতার প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে গত বৃহস্পতিবার বেলা ৩টায় ব্যাপ্টিস্ট মিশন বালিকা বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র নিশু পুকুরে ডুবে মারা যায়। ঘণ্টাখানেক পর নিশুর লাশ ভেসে উঠে। সহপাঠীরা তাকে উদ্ধার করে। নিহত নিশুর বাসা ব্যাপ্টিস্ট মিশন রোডে। তার মৃত্যুতে স্কুল ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এদিকে বাবুগঞ্জে গত বৃহস্পতিবার সকালে হামাগুড়ি দিয়ে বাড়ির পুকুরে পড়ে পানিতে ডুবে মোঃ ইউসুফ আলী নামের দু’ বছরের এক শিশু মারা যায়। খোঁজাখুঁজি করে তার লাশ পুকুরে ভাসতে দেখা যায়। স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে চিকিত্সকের কাছে নিলে কর্তব্যরত চিকিত্সকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বেলকুচি (সিরাজগঞ্জ)
খালার বাড়িতে বেড়াতে এসে গত বৃহস্পতিবার দুপুরে বল হাতে নিয়ে খেলতে গিয়ে পুকুরে ডুবে মারা যায় আব্দুল মতিনের একমাত্র মেয়ে আয়শা খাতুন (২)। পুকুর থেকে আয়শাকে উদ্ধার করে বেলকুচি হাসপাতালে নিলে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করে।
লোহাগড়া (নড়াইল)
গত বৃহস্পতিবার নড়াইলের লোহাগড়ায় দিঘলিয়া ইউনিয়নের মাটিয়াডাংগা গ্রামের বালাম শেখের ছেলে নিরব (২) নামে শিশু পুকুরে পড়ে মারা যায়। এ সময় প্রতিবেশিরা উদ্ধার করে লোহাগড়া হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিত্সক তাকে মৃত ঘোষণা করে।
হালুয়াঘাট (ময়মনসিংহ)
ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে বিষমপুর গ্রামে গত বৃহস্পতিবার বাড়ির একটি গর্তের পানিতে পড়ে গিয়ে দুই বোন নিঝুম (৫) ও লামিয়ার (৪) মৃত্যু হয়েছে। অনেক খোঁজাখুঁজির চার ঘণ্টা পর শিশু দুটির লাশ গর্ত থেকে উদ্ধার করা হয়। বিষমপুর গ্রামের নাজমুল হুদার মেয়ে নিঝুম ও মফিজ উদ্দিনের মেয়ে লামিয়া চাচাতো বোন।
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
গোপালগঞ্জের ঘোষেরচর গ্রামে গতকাল শুক্রবার সকালে সিফাত (১০) পানিতে ডুবে মারা যায়। সে শাহ আলমের ছেলে। বাড়ির পুকুর থেকে সিফাতকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিলে চিকিত্সক তাকে মৃত্যু বলে ঘোষণা করেন।