মোহনগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনে ১৭ দিনের ১২ লাখ টাকা আয়
এস,এম সারোয়ার খোকন, মোহনগঞ্জ (নেত্রকোনা) সংবাদদাতা
প্রকাশ : ২৪ আগস্ট ২০১৩, ২১:৫৫
বহুল প্রতীক্ষিত ও আন্দোলনের ফসল ঢাকা-মোহনগঞ্জ আন্তঃনগর এক্সপ্রেস ট্রেন চালুর ১৭ দিনে মোহনগঞ্জ স্টেশনে আয় হয়েছে ১২ লাখ টাকা। যা অন্যান্য সময়ের তুলনায় বিশাল রেকর্ড। ট্রেনের সাথে আরো ২/৩টি কোচ বাড়ালে আয় বেড়ে দ্বিগুণ হতে পারে। গত ১ আগষ্ট থেকে রাজধানী ঢাকা থেকে প্রান্তিক স্টেশন মোহনগঞ্জ পর্যন্ত হাওর এক্সপ্রেস নামে আন্তঃনগর ট্রেন চালু হওয়ায় নেত্রকোনা ও সুনামগঞ্জ জেলার যাত্রী সাধারণের মাঝে আনন্দের বন্যা বইছে। অপরদিকে যাত্রীরা আশানুরূপ সেবা না পাওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েছে। টিকিট না পেয়ে অন্য উপায়ে গন্তব্যে পৌঁছতে হচ্ছে। এই ট্রেন চালুর পর রেলের আয় কল্পনাতিত বেড়ে গেলেও যাত্রীদের সুবিধা বাড়াতে তেমন সাড়া দিচ্ছে না রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। বিভিন্ন সমস্যাদি নিয়ে রেলওয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে প্রতিদিন কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটছে। বর্তমানে ১০টি কোচ নিয়ে ট্রেনটি চলাচল করছে। এর মোট আসন সংখ্যা ৫২৩টি। প্রতিদিন যাত্রী চলাচল করছে কয়েক গুণ। বিনা টিকেটে ভ্রমণ করছে অনেকগুণ। রয়েছে কালো বাজারে টিকেট বিক্রির অভিযোগ। কম্পিউটার না থাকায় ও বিশাল চাপের মুখে টিকেট বিক্রিতে ভুল হওয়ার ডাবল টিকেট বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। এ নিয়ে যাত্রীদের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ লেগেই আছে। ১টি আসনের বিপরীতে ২টি টিকেট প্রদান যাত্রীদের অভিযোগে স্টেশন মাস্টার কোন সদ উত্তর দিতে পারেন না। টিকেট বিক্রির জন্য আলাদা কোন লোক নিয়োগ দেয়া হয়নি।