টি-টোয়েন্টি সিরিজ পাকিস্তানের

দুই দলের শক্তির পার্থক্য বিবেচনায় নিলে এই ফলটাই প্রত্যাশিত ছিল। একমাত্র ব্যতিক্রম হতো জিম্বাবুয়ে কোনো চমক দেখাতে পারলে। সেটা হয়নি। গতকাল শনিবার হারারে স্পোর্টস গ্রাউন্ডে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে স্বাগতিক জিম্বাবুয়েকে ১৯ রানে হারিয়ে ২-০ ব্যবধানে দুই ম্যাচ সিরিজ জিতে নিল পাকিস্তান। টসে জিতলো জিম্বাবুয়ে, সিদ্ধান্ত নিল ফিল্ডিংয়ের; পাকিস্তানের বড়ো সংগ্রহের পর ব্যাট হাতে দারুণ সূচনাও এনে দিল জিম্বাবুয়ের দুই ওপেনার। এরপরও লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারল না স্বাগতিকরা। এই পর্যন্ত প্রতিটি ঘটনাই যেন সিরিজের প্রথম ম্যাচের পূর্ণ মঞ্চায়ন হলো গতকালও। পার্থক্য শুধু একটাই—পাকিস্তানের উদ্বোধনী জুটিতে সোয়াইব মাকসুদের পরিবর্তে আহমেদ সেহজাদের সঙ্গী হলেন নাসির জামসেদ। টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তান মাত্র এক উইকেট হারিয়ে স্বাগতিকদের সামনে ১৮০ রানের বিরাট টার্গেট ছুঁড়ে দেয়। ছয়টি করে চার আর ছয়ের সাহায্যে ৬৪ বলে ওপেনার আহমেদ সেহজাদ একাই সংগ্রহ করেন ৯৮ রান। ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি থেকে যখন মাত্র দুই রান দূরে তখন ইনিংসের আর বল বাকি নেই! জিম্বাবুয়ের হয়ে নাসির জামশেদের একমাত্র উইকেটটি শিকার করেন সিংগি মাসাকাদজা। জবাবে ব্যাট করতে নেমে জিম্বাবুয়ের ইনিংস ২০ ওভার শেষে ১৬০ রানে থেমে যায়। জিম্বাবুয়ের হয়ে সর্বোচ্চ রান সংগ্রহ করেন হ্যামিল্টন মাসাকাদজা। পাকিস্তানের মোহাম্মদ হাফিজ চার ওভারে ত্রিশ রান দিয়ে তুলে নেন সর্বোচ্চ তিন উইকেট। আগামী ২৭ আগস্ট তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে একই মাঠে মুখোমুখি হবে পাকিস্তান এবং স্বাগতিক জিম্বাবুয়ে। সংক্ষিপ্ত স্কোর পাকিস্তান ১৭৯/১, ২০ ওভার (আহমেদ সেহজাদ ৯৮*, হাফিজ ৫৪। সিংগি মাসাকাদজা ১/৪২)। জিম্বাবুয়ে ১৬০/৬, ২০ ওভার (হ্যামিল্টন মাসাকাদজা ৪১, এল্টন চিগুম্বুরা ৩৫। হাফিজ ৩/৩০)।