অনন্যা শীর্ষ দশ সম্মাননা প্রদান করা হবে আজ

ভিন্ন ভিন্ন পেশায় দশ জন প্রতিশ্রুতিশীল নারীকে আজ প্রদান করা হচ্ছে ‘অনন্যা শীর্ষ দশ-২০১৩’ সম্মাননা। বছরের আলোচিত নারীকে সম্মান দেয়ার লক্ষ্যে পাক্ষিক অনন্যা প্রবর্তন করতে চেয়েছিল বছরের সেরা নারী সম্মাননা। তার কাজকে সকলের কাছে তুলে ধরা, তাকে অনুপ্রাণিত করা, অন্যদের নিজের পেশার প্রতি আরো বেশি মনোনিবেশ করে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয়ে উত্সাহিত করার লক্ষ্য ছিল আয়োজকদের। পরে শুধু একজন নয় দশটি ভিন্ন পেশার নারীকে মনোনীত করে এ সম্মাননাকে আরো বিস্তৃত করে করা হয় ‘অনন্যা শীর্ষ দশ’। সেটা ১৯৯৩ সালের কথা। আজ ১৯ বছরে পদার্পণ করে যাদের সম্মানিত করা হচ্ছে, অনন্যা মনে করে তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনই নিজ পেশায় সফলতার শীর্ষে অবস্থান করছেন। তাদের সাথে অনন্যার নাম যুক্ত করে অনন্যা অন্য এক মাত্রা পেল। এবছর শিক্ষকতায় অধ্যাপক মাহফুজা খানম, সফটওয়ার উদ্যোক্তা লুনা দোহা, সামাজিক সচেতনতায় নুরুন্নাহার বেগম, গবেষণা ও উন্নয়নে ড. মেঘনা গুহঠাকুরতা, কণ্ঠশিল্পী চন্দনা মজুমদার, বিজ্ঞানী ফেরদৌসী কাদরী, পরিবেশ রক্ষায় খোরশেদা বেগম, জননিরাপত্তায় মিলি বিশ্বাস, সাংবাদিকতায় ফারজানা রূপা, কৃষি উন্নয়নে ড. কাশফিয়া আহমেদকে এ সম্মাননা প্রদান করা হবে। আজ বিকালে জাতীয় জাদুঘর সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দিবেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে শীর্ষ ১০ নারী নির্বাচনের পটভূমি সম্পর্কে অনন্যা সম্পাদক তাসমিমা হোসেন বলেন, আমরা যখন শুরু করি তখন নারীর বিচরণক্ষেত্র এতো বিস্তৃত ছিল না। আজ এভারেস্ট চূড়া, তথ্য-প্রযুক্তি , চিত্রগ্রাহকসহ নানা বৈচিত্র্যময় পেশায় নারীর দীপ্ত পদচারণা। বাংলাদেশে কৃতী নারীদের নিয়ে এ ধরনের উদ্যোগ অনন্যাই প্রথম গ্রহণ করে। আমাদের বিশ্বাস, অনন্যা তার সততা ও আন্তরিকতা নিয়ে এ লক্ষ্যে কাজ করে বছরের আলোচিত নারীদের বিশেষভাবে চিহ্নিত এবং প্রকাশিত করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে পরিচিত করে দেয়। আমরা দেখেছি ‘অনন্যা শীর্ষ দশ’ পেয়ে অনেকে নিজ নিজ ক্ষেত্রে কৃতিত্বের সঙ্গে কাজ করে খ্যাতিমান হয়েছেন। যেমন সুলতানা কামাল, রোকেয়া আফজাল রহমান, মনোয়ারা হাকিম আলী, শিল্পী মমতাজ, পর্বতারোহী নিশাত মজুমদার। আবার কেউ হারিয়েও গেছেন।