ভূমি মন্ত্রণালয়ের আদেশটি বাস্তবায়ন করা হোক

আমি বাংলাদেশ সরকারের ভূমি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন মাঠ প্রশাসনে কর্মরত একজন ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা। ভূমি মন্ত্রণালয় ১৮-৯-২০০২ তারিখে একটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তহশিলদার ও সহকারী তহশিলদারদের নাম পরিবর্তন করে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা ও ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা করে। কিন্তু দুঃখের বিষয়, সে সময় পদমর্যাদা কিংবা বেতন স্কেল উন্নীত করা হয়নি, ফলে ১৬ ও ১৭ নম্বর স্কেলে ভূমি কর্মকর্তাগণ অত্যন্ত নিম্ন বেতনে মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হন। সরকার দুর্নীতিমুক্ত সেবামুখি জনপ্রশাসন দেখতে চান অথচ মাঠ প্রশাসনে কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতনস্কেল উন্নীত করেন না। স্বল্পবেতনে সংসার চালাতে হিমসিম খেয়ে কেউ কেউ দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন যা মোটেও কাম্য নয়। দুর্নীতিমুক্ত ভূমি প্রশাসন গড়তে মাঠপর্যায়ে কর্মরত ইউনিয়ন ভূমি সহকারী ও উপ-সহকারী কর্মকর্তাগণের বেতন স্কেল উন্নীত করার বিকল্প নেই। বিগত কয়েক বছরে ও সম্প্রতি সরকারের বেশ কয়েকটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের অধীনস্থ কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন স্কেল উন্নীত করা হয়েছে। যেমন উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা, কমিউনিটি মেডিক্যাল অফিসার বৈজ্ঞানিক সহকারী, পুলিশের এসআই প্রমুখ। গত ৩০-৫-২০১৩ তারিখে অর্থমন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন অণুবিভাগ ভূমি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন মাঠ প্রশাসনে কর্মরত ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা ও ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা পদের বেতন স্কেল যথাক্রমে ১৬ নম্বর থেকে ১১ নম্বর এবং ১৭ নম্বর থেকে ১২ নম্বর স্কেলে উন্নীত করা হয়েছিল। কিন্তু মাত্র দেড় মাসের মাথায় বেতন স্কেল পুনঃনির্ধারণে আদেশটি ২৫-৭-১৩ তারিখে অকার্যকর ও স্থগিত ঘোষণা করা হয়। যা ১০৫০০ ভূমি সহকারী ও উপ-সহকারী কর্মকর্তাকে হতাশার সাগরে ডুবিয়েছে। এ অবস্থায় ভূমি মন্ত্রণালয়ের আদেশটি প্রত্যাহার করে ৩০-৫-১৩ তারিখের বেতন স্কেল পুনঃনির্ধারণের সময়োপযোগী আদেশটি বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক