গল্প নয় সত্যি
লক্ষ ডলার ছাড়ানো পার্কিং জরিমানা!
প্রকাশ : ২৬ আগস্ট ২০১৩, ১৯:৪৩
ট্রাফিক আইন অমান্য করলে কিংবা কোনো নিয়মের ব্যতিক্রম ঘটালে কমবেশি জরিমানা দিতেই হয়। কিন্তু তাই বলে কেউ যে স্রেফ পার্কিং এর কারণেও ১,০৫,০০০ ডলার বা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৮৫ লক্ষ টাকারও বেশি টাকা জরিমানা কারও হতে পারে সেটা ধারণা করাও কষ্টকর। কাজেই জেনিফার ফিজারেল্ড নামে শিকাগোর এক মহিলা যখন সম্প্রতি এ পরিমাণ অংকের জরিমানার মুখোমুখি হন, তখন তিনি যে সংবাদ শিরোনাম হবেন এটাতো বলাই বাহুল্য। ঘটনার বিবরণে জানা যায়, জেনিফারের সাবেক বয়ফ্রেন্ড শিকাগোর ও’ হেয়ার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের এক কর্মীর গাড়ি পার্কিং-এর জায়গায় ২০০৯ সালের কোনো এক সময় গাড়িটি রেখে যান। সেই থেকে নানা সময়ে অপরাধমূলক এই কাজের দায়ে গাড়ির ওপর ৬৭৮ বার জরিমানার টিকিট রাখা হলেও দেখা মেলেনি এর মালিকের। আর এভাবেই গত বছর সরিয়ে নেওয়ার আগ পর্যন্ত জরিমানার পরিমাণ দাঁড়ায় এক লাখেরও বেশি ডলারে। এদিকে জেনিফার ফিজারেল্ড তার এক আর্জিতে জানান, বিমানবন্দরের সংরক্ষিত এলাকায় গাড়িটি রেখে যাওয়ার কারণে সেখানে প্রবেশ করা তার পক্ষে সম্ভব ছিল না। এ কারণে তিনি এ বিষয়টির ফয়সালা করতে স্থানীয় প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ করেন এবং পুরো বিষয়টির জন্য সাড়ে চার হাজার ডলার জরিমানা দিতে সম্মত হন। এর মধ্যে তার বয়ফ্রেন্ড ব্র্যান্ডনেরও ১৬০০ ডলার দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আইনি জটিলতার মারপ্যাচে বিষয়টি জানানোর পরও একের পর এক জরিমানার টিকিট ইস্যু করা হতে থাকে জেনিফারের গাড়িতে। এমনকি ইলিনয়েস অঙ্গরাজ্যের পক্ষ থেকে তার গাড়ির লাইসেন্স পে¬ট বাতিল করা স্বত্তেও থামেনি জরিমানা করার বিষয়টি। বলা বাহুল্য, এ বিষয়টিতে যার পর নাই ক্ষুদ্ধ জেনিফারের আইনজীবী তার প্রতিক্রিয়ায় যথার্থই বলেছেন যে, ও’হেয়ার বিমানবন্দরের ট্রাফিক কর্তৃপক্ষ যা করেছেন কোনো সুস্থ বুদ্ধির মানুষ বা প্রশাসনের পক্ষেই সেটি করা সম্ভব নয়।