দৌলতদিয়া-পাটুরিয়ায় অর্ধেক গাড়ি নিয়ে পার হচ্ছে ফেরি

দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটের দৌলতদিয়া চ্যানেলে নাব্যতা সংকট সৃষ্টি হওয়ায় ফেরি চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। রবিবার বিকালে চ্যানেলের ডুবোচরে একটি ফেরি আটকে পড়ায় টানা চার ঘণ্টা চ্যানেলটি বন্ধ হয়ে উভয় পাড়ে ফেরি চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকে। ঝুঁকি এড়াতে রুটের সব ফেরি আন্ডারলোড করে চলাচল করছে। এতে শত শত গাড়ি আটকা পড়ে উভয় পাড়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। বিআইডব্লিউটিসি, ফেরি চালক ও অন্যান্য সূত্রে জানা গেছে, রবিবার বিকাল পাঁচটার দিকে দৌলতদিয়া ঘাট থেকে রোরো ফেরি কেরামত আলী ২৪টি গাড়ি নিয়ে পাটুরিয়ার উদ্দেশে ছেড়ে আসে। ফেরিটি দৌলতদিয়ার মূল চ্যানেলে প্রবেশ করার পর তীব্র স্রোত ও চ্যানেলের অগভীর অংশের ডুবোচরে আটকে যায়। পাটুরিয়া থেকে উদ্ধারকারী জাহাজ আইটি-৩৮৯ এসে উদ্ধার তত্পরতা শুরু করে; কিন্তু আইটির একার পক্ষে সম্ভব না হওয়ায় পরবর্তীতে কে টাইপ ফেরি (ছোট) কাবেরীর সহযোগিতা নেয়া হয়। তাদের প্রচেষ্টায় টানা চার ঘণ্টা পর রাত নয়টার দিকে ফেরিটি ডুবোচর থেকে সরানো সম্ভব হয়। এদিকে চ্যানেলের মাঝে ফেরি আটকে এভাবে উদ্ধার তত্পরতা চলায় চার ঘণ্টা সব ধরনের ফেরি চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকে। এরপর কর্তৃপক্ষের নির্দেশে সকল ফেরি আন্ডারলোড করে সতর্কতার সাথে চলাচল করতে থাকে। ফেরিগুলো অর্ধেক কিংবা অর্ধেকের কম যানবাহন নিয়ে চলাচল করায় উভয় ঘাটে যানবাহন আটকা পড়তে থাকে। সোমবার দুপুরে দৌলতদিয়া ঘাটে গিয়ে দেখা যায়, মহাসড়কের চার লেনের পশ্চিম অংশে প্রায় দুই কিলোমিটার জুড়ে আটকে পড়া মালবাহী কয়েকশ ট্রাক দুই সারি করে পারাপারের অপেক্ষায় আটকে আছে। বিআইডব্লিউটিসির আরিচা ইউনিটের এজিএম জিল্লুর রহমান জানান, কর্তৃপক্ষ সংকট এড়াতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বিআইডব্লিউটিএ-এর আরিচা অফিসের ঊর্ধ্বতন উপ-পরিচালক শাহজল হোসেন বলেন, কয়েক দিন আগেও এই চ্যানেলে পানির গভীরতা ১১/১২ ফুট থাকলেও বর্তমানে এ চ্যানেলে ৭/৮ ফুট পর্যন্ত পানি রয়েছে। তবে সংকট নিরসনের জন্য নাব্যতা সংকট নিরসনের জন্য ব্যবস্থা নেয়া হবে।