তিন বন্ধুর গল্প
প্রকাশ : ২৭ আগস্ট ২০১৩, ১৯:২৯
রাইয়ানা ওয়ালিত, আফসানা ও সাবাবা ইরফান মমা। তিন বান্ধবী। তিন জনের বাড়িই চট্টগ্রামের তিন উপজেলা হাটহাজারী, টেকনাফ ও সন্দ্বীপে। তিন বন্ধু চট্টগ্রাম নগরীর পৃথক বাসায় বসবাস করলেও সেই বন্ধুত্বের দৃঢ় বন্ধন দীর্ঘ ছয় বছর ধরে আঁকড়ে আছে। তারা তিনজনই একই স্কুল, একই কলেজে (এসএসসি-ডা. খাস্তগীর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও এইচএসসি-চট্টগ্রাম কলেজ) বরাবরের মতো গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়েছে। তিনজনই বিজ্ঞান বিভাগ নিয়ে পড়ালেখা করে আসছেন। কিন্তু এবার তাদের স্বপ্ন হচ্ছে ভিন্ন। একজন ইঞ্জিনিয়ার অপর দুইজন ডাক্তার হতে চায়। তারা বলছেন, আমাদের আজকের এ পর্যায়ে আসার পেছনে সবচে বেশি অনুপ্রেরণা যুগিয়েছেন আমাদের পিতা-মাতা এবং শিক্ষকরাই।
চট্টগ্রাম কলেজে গোল্ডন জিপিএ-৫ প্রাপ্ত তিন বান্ধবীসহ অন্য বন্ধুরা ফলাফল ঘোষণার পর বাঁধভাঙ্গা উচ্ছ্বাসেই ফুটে উঠেছে কলেজ ক্যাম্পাস। এতে শিক্ষার্থী ও সহকর্মীদের সাথে আনন্দ-উল্লাসে যোগ দিয়েছেন কলেজ অধ্যক্ষ শেখর দস্তিদার। তবে টানা তিন বছর সেরার তালিকায় একই অবস্থান ধরে রেখেছে ঐতিহ্যবাহী এ কলেজটি।
গোল্ডেন জিপিও-৫ প্রাপ্ত চট্টগ্রাম কলেজের তিন বান্ধবী রাইয়ানা ওয়ালিত, আফসানা ও সাবাবা ইরফান মমা বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রতি আরো বেশি সংবেদনশীল হবেন। তাদের মধ্যে গণতান্ত্রিক চর্চা থাকবে এটাই আমাদের প্রত্যাশা। শিক্ষার্থীদের ক্ষমতার জন্য ব্যবহার না করে সুস্থধারার রাজনীতিতে আগ্রহী করে তুলতে রাজনীতিবিদদের প্রয়োজনীয় ভূমিকাও গ্রহণ করতে হবে। তবে ভাল ফলাফলের জন্য তারা শিক্ষক ও অভিভাবকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। জিএি-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থী শাহরিয়ার ইসলাম ও আফসানা আকতারও সরকারি কোন মেডিক্যালে ভর্তি হতে আগ্রহী। তবে রাজনৈতিক পরিস্থিতি ভাল থাকলে এবং পরীক্ষার সময়সূচি বারবার পরিবর্তন না হলে আরো ভাল ফলাফল করতে পারতাম।