কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়

ওদের এগিয়ে চলা

মানুষ তথ্য-প্রযুক্তি উদ্ভাবন করছে আবার শিক্ষা নিচ্ছে সমানে। ইনফরমেশন কমিউনিকেশন এন্ড টেকনোলজি বিষয়টি তথ্যকে সুন্দরভাবে প্রযুক্তির সাথে ব্যবহার করে সেবা দিচ্ছে বিশ্বের মানুষকে। এই লক্ষ্যেই কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনফরমেশন কমিউনিকেশন এন্ড টেকনোলজি বিভাগ কিছু তরুণ শিক্ষার্থীকে শিক্ষা দিচ্ছে আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তির। ২০০৯-২০১০ শিক্ষাবর্ষের কিছু মেধাবী শিক্ষার্থী নিজের পাখায় তুলে আইসিটি বিভাগ প্রযুক্তির আকাশে উড়ে চলা শুরু করে। এখন চার শিক্ষাবর্ষের প্রায় দেড় শতাধিক শিক্ষার্থীকে তথ্য-প্রযুক্তির শিক্ষা দিচ্ছে এই বিভাগ। এদের দেখলে অনায়াসে বলা যায়, বাঙালির ছেলে-মেয়ে যেন বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু না করে থামবে না। যেন এরা পৃথিবীর অসার অবস্থার লাগাম ধরে পৃথিবীকে প্রযুক্তির পথে নিয়ে আসবেই। সহকারী অধ্যাপক তোফায়েল আহমেদ, সহকারী অধ্যাপক খন্দকার ফিদা হাসান, সহকারী অধ্যাপক দুলাল চক্রবর্তী, প্রভাষক ইমরান হোসেন ও প্রভাষক সাইফুর রহমান- এই পাঁচজন শিক্ষকের দক্ষ পরিচালনায় আইসিটি বিভাগ যেন তথ্য-প্রযুক্তির সবটাই দখল করে নিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের এই বিভাগের এগিয়ে চলার পথে কিছু সমস্যা থেকে যায়। সমস্যা থাকবে, তবে সেটা চাই সহনীয়। তথ্য-প্রযুক্তি শেখার এই বিভাগে নেই নিজস্ব লাইব্রেরি। নেই নিজস্ব কম্পিউটার ল্যাব। আর যেখানে তথ্য-প্রযুক্তি শেখানো হয় সেখানে ইন্টারনেট ছাড়া কিভাবে সম্ভব? ইন্টারনেটবিহীন তথ্য-প্রযুক্তির এই আইসিটি বিভাগ!!! এটি যেন সন্তান হাঁটতে শেখার আগেই পা বেঁধে ফেলা। বিভাগের এই চরম সমস্যা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সাথে কথা বললে, নবীন প্রতিষ্ঠানে সমস্যা স্বাভাবিক, প্রশাসন এই মন্তব্য করে। এ যেন নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা অবস্থা। বিভাগের শিক্ষক সহকারী অধ্যাপক খন্দকার ফিদা হাসান বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়কে তালিকার উপরে আনতে চাইলে আইসিটি বিভাগের বিকল্প নাই।’ বিভাগের সভাপতি(ভারপ্রাপ্ত) সহকারী অধ্যাপক তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘বাংলাদেশকে বর্তমান আধুনিক যুগে এগিয়ে নিতে একশত ভাগ সাহায্য করতে পারে আইসিটি বিভাগ। আমাদের মেধাবী শিক্ষার্থীরা দেশ ছাড়িয়ে বিদেশেও পরিপূর্ণ মেধার পরিচয় রাখতে সক্ষম বলে আমি মনে করি।’ বিজ্ঞানের পরিবর্তনের যুগে নতুন নতুন বিষয় উদ্ভাবনে এখন সবচেয়ে নতুন ও শক্তিশালী বিষয় হলো আইসিটি বিভাগ- এটা এই আইসিটি পরিবারের দাবি।