ম্যা চ ফি ক্সি ং
আইনি লড়াই করবেন অভিযুক্তরা
প্রকাশ : ২৭ আগস্ট ২০১৩, ২১:৩৪
ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের দলবদল ও বিসিবির নির্বাচনী উত্তেজনায় একটু চাপা পড়তে বসেছিল বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ফিক্সিং প্রসঙ্গ। গতকাল দিনভর আবার আলোচনায় চলে এলো এই ফিক্সিং নিয়ে ট্রাইব্যুনাল, আইনি লড়াই নানা প্রসঙ্গ। কারণ, গতকাল ছিল অভিযুক্ত নয়জনের আইনি লড়াইয়ে অংশ নেয়ার কথা জানানোর শেষদিন। আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এ ব্যাপারে কিছু জানাবে না বলে আগেই জানিয়ে দেয়া হয়েছে। তারপরও এটুকু অন্তত জানা গেছে যে, বিপিএলের ফিক্সিং কাণ্ডে অভিযুক্ত নয়জনের মধ্যে অন্তত ছয়জন আইনি লড়াই করার ব্যাপারে আবেদন জানিয়েছেন।
ক্রিকেটার মাহবুবুল আলম রবিন, মোশাররফ হোসেন, ঢাকা গ্লাডিয়েটর্সের মালিক সেলিম চৌধুরী ও তার ছেলে শিহাব চৌধুরী যার যার আইনজীবীর মাধ্যমে এই লড়াই করবেন। সেই আইনজীবীরা কাল সংবাদ মাধ্যমে নিজ নিজ মক্কেলকে নির্দোষ বলে দাবিও করেছেন। এর বাইরে মোহাম্মদ আশরাফুল আগেই জানিয়েছেন, তিনি কম শাস্তির দাবিতে আইনি লড়াই করবেন। ঢাকা গ্লাডিয়েটর্সের প্রধান নির্বাহী গৌরব রাওয়াতও এই লড়াইয়ে থাকবেন। শুধু দলটির বোলিং কোচ ও দেশের কিংবদন্তী বোলার মোহাম্মদ রফিক, ইংলিশ ক্রিকেটার ড্যারেন স্টিভেন্স এবং শ্রীলঙ্কান কৌশল লুকারুয়াচ্চি এই লড়াইয়ে অংশ নিচ্ছেন কি না জানা যায়নি।
এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে বিসিবির ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজন বললেন, ‘তাদের যে অভিযোগপত্র দেয়া হয়েছে সেখানেই বলে দেয়া হয়েছে আইনি লড়াই করার ইচ্ছাটা আকসু প্রধান বরাবর জানাতে হবে। কেউ আইনি লড়াই করতে চাইলে বা না চাইলে নিশ্চয়ই তাই করেছেন। কিন্তু আকসু থেকে আমরা কিছু জানতে পারিনি। তাই বলতে পারছি না কে কি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বা কে কিভাবে লড়বেন।’
একই সঙ্গে নিজামউদ্দিন চৌধুরী বলছেন, এ ব্যাপারে তারা কিছু জানতে পারলে ডিসিপ্লিনারি কমিটির চেয়ারম্যানকে অবহিত করবেন এবং আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলবেন। তারপর প্যানেল চেয়ারম্যানই সিদ্ধান্ত নেবেন পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে। এদিকে বিসিবির দুর্নীতি-বিরোধী আইন বলছে, অভিযুক্তরা তাদের অবস্থান জানানোর পর প্রয়োজনীয় সংখ্যায় ট্রাইব্যুনাল গঠন করবেন প্যানেল চেয়ারম্যান।
ডিসিপ্লিনারি প্যানেলের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশের সাবেক প্রধান বিচারপতি মাহমুদুল আমিন চৌধুরীও বললেন, তিনি এখনও সর্বশেষ পরিস্থিতি সম্পর্কে কিছু জানেন না। তার কাছে ট্রাইব্যুনাল গঠন বিষয়ক কোনো অগ্রগতির খবর নেই বলেও বললেন তিনি।
উল্লেখ্য, বিপিএলের দ্বিতীয় আসরে ঢাকা গ্লাডিয়েটর্স সংশ্লিষ্ট কমপক্ষে দুইটি ম্যাচে ফিক্সিংয়ের সন্দেহে বিসিবির অনুরোধে ব্যাপক তদন্ত করে রিপোর্ট দিয়েছে আইসিসির দুর্নীতি দমন ও নিরাপত্তা ইউনিট (আকসু)। এ বিষয়ে আইসিসি ও বিসিবি ঢাকায় যৌথ সংবাদ সম্মেলন করে জানিয়েছে, রিপোর্টে নয়জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।