আব্দুল লতিফের তথ্য সংগ্রহশালা

জনপদের ইতিহাস, সংস্কৃতি, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, ঐতিহ্য আর সমাজ বিনির্মাণে আত্মদানকারী সংগ্রামীদের জীবনী গাথা এসব তথ্য সংগ্রহ ও সুরক্ষা করে ষাটোর্ধ্ব বয়সী আব্দুল লতিফ খসরু গড়ে তুলেছেন ব্যতিক্রমী এক সংগ্রহশালা। একান্ত নিজের প্রচেষ্টায় গড়ে তোলা এ সংগ্রহশালা এখন পিরোজপুরের কাউখালীর জনপদের মানুষের তথ্যের জোগানদাতা। গত ১৫ বছর ধরে একাগ্র চিত্তে তথ্য সংগ্রহ করে তিনি গড়ে তুলেছেন এ তথ্যভাণ্ডার। এ তথ্য ভাণ্ডার কাউখালীর জনপদের এখন ইতিহাস ঐতিহ্যের আর্কাইভ। পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলা সদরে নিজ ভবনে সারি সারি তাক সেখানে জমা করে রেখেছেন ম্যাগাজিন পেপার কাটিং ছবি নানা কিছু। তার সংগ্রহশালা ও তথ্য ভাণ্ডারে আছে এ জনপদের মুক্তিসেনাদের ইতিহাস, আলোকচিত্র, পত্রপত্রিকা ও লিটল ম্যাগাজিন সংবাদপত্রে প্রকাশিত এ জনপদের সংবাদ ও প্রতিবেদনের কাটিং বিভিন্ন কর্মসূচির আলোকচিত্র। পরিসংখ্যানগত তথ্য, বইপত্র ও দেশ-বিদেশের বরেণ্য ব্যক্তিদের আলোকচিত্র। সংগ্রহশালায় সংরক্ষিত আলোকচিত্র নিয়ে এ পর্যন্ত তিনি ৩০টি প্রদর্শনী করেছেন। ব্যক্তিগত উদ্যোগে সংগ্রহশালায় সংরক্ষিত এসব তথ্য এলাকার মানুষের কাজে লাগছে। তাই এলাকার মানুষ আব্দুল লতিফ খসরুর পরিচিতি তথ্য ব্যাংকার হিসেবে। এ সংগ্রহশালার উদ্দেশ্য সম্পর্কে প্রতিষ্ঠাতা আ. লতিফ খসরু বলেন, ‘ভবিষ্যত্ প্রজন্মের কাছে এ সংগ্রহশালা কাউখালীর তথ্য সম্পদ হিসেবে কাজে লাগবে। এ ছাড়া সংস্কৃতিসমৃদ্ধ কাউখালীর উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে এ তথ্য কাজে লাগাবেন। জ্ঞান চর্চার কেন্দ্র হবে এমন ধারণা থেকেই এ সংগ্রহ শালা গড়ে তুলেছি।’ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংরক্ষণ ও জ্ঞান বিকাশের অবদানের জন্য মিলেছে স্বীকৃতি। পেয়েছেন বিভিন্ন জনের প্রশংসা।