পাঁচ প্রশ্ন :শশী

তুলনামূলকভাবে আপনার সময়টা পজেটিভ না নেগেটিভ? আমার জন্য বললে তো সব সময়ই পজেটিভ। অতীত-বর্তমান সব সময়ই আমি ভালো থেকেছি। ভবিষ্যতেও থাকব আশা করি, কেননা আমি বরাবরই পজেটিভ চিন্তাটাই করি। সময়ের সাথে নিজেকে মানিয়ে নেওয়া মানুষের ধর্ম। সময়ই মানুষকে বলে দেয়, ‘পথিক পথ ওদিকে নয় পথ এদিকে। সুতরাং যে অবস্থায়ই হোক বা যে কারণেই হোক নিজেকে মানিয়ে নেওয়াটাই সবচেয়ে বড় ব্যাপার এবং আমি সে চেষ্টাই করি। বর্তমানে ব্যস্ততা কী নিয়ে? বর্তমানে কাজের ব্যস্ততা একটু বেশি। বর্তমানে অনেকগুলো ধারাবাহিক এবং একক নাটকে কাজ করছি। এ ছাড়া অনএয়ারে যাচ্ছে ‘শূন্য সমীকরণ’, ‘নাগরিক’, ‘বৈরী বাতাস’, ‘উড়ে যায় মালতি পরী’, ‘ঢোল’ ইত্যাদি। অন্যদিকে ‘সোয়াচাঁন পাখি’ চলচ্চিত্রের শেষের লটের কাজ আরম্ভ হবে, তা নিয়ে আবার ব্যস্ত হয়ে পড়ব শিগগিরই। কোন ধরনের নাটকে কাজ করতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন? এখন আমাদের স্ক্রিপ্টের মধ্যে অনেক বৈচিত্র্য এসেছে। শুধু প্রেম-ভালোবাসার মধ্যে আমাদের নাটক আটকে নেই। দৈনন্দিনের নানা ধরনের ঘটনাগুলোই উঠে আসছে আমাদের নাটকগুলোর, এ বিচারে আমাদের নাটকগুলোও অনেকবেশি জীবনঘনিষ্ঠ। আমি সব সময়ই ধারাবাহিক নাটক থেকে একঘণ্টার নাটকে অভিনয় করতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি। ব্যক্তিগত জীবন এবং মিডিয়া দুটি সামাল দেন কীভাবে? এটা সত্য যে আমার ব্যস্ততা অনেক বেড়ে গিয়েছে। তবে কাজের পরিধিও একটি নির্দিষ্ট ছকের মধ্যে সাজিয়ে নিয়েছি। তাই ব্যক্তিজীবনে কাজের কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়ে না। তার উপর যেহেতু আমি এখনও বিয়ে করেনি তাই সংসার সামাল দেওয়ার কোনো ব্যাপারই নেই। আমি আমার পরিবারের একমাত্র আদুরে মেয়ে। আমার প্রতিটি কাজের পেছনে সবচেয়ে বড় যে অনুপ্রেরণা পাই তা আমার পরিবার থেকেই। আপনার নাগরিক আনন্দ-বেদনা কতটুকু? একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে আমার প্রথম চাওয়া হচ্ছে সঠিক নিরাপত্তা। আর নাগরিক আনন্দ খুঁজে নিতে হয়, তবে নাগরিক বেদনা খুঁজে নেওয়া লাগে না, তা স্বাভাবিকভাবেই চলে আসে। দেশের নাগরিক হিসেবে অবশ্যই দেশের কাছে আমার কৃতজ্ঞতা ও দায়বদ্ধতা আছে।