গল্প নয় সত্যি
সন্তান হওয়া না হওয়ায় ব্যক্তিত্বের প্রভাব
প্রকাশ : ২৮ আগস্ট ২০১৩, ২০:১৬
যখন মা-বাবার কোল আলো করে পৃথিবীর মুখ দেখে নতুন কোনো শিশু তখন সেই মুহূর্তটির সাথে বোধকরি আর কোনোকিছুরই তুলনা চলে না। আর তাই সন্তানের মুখ দেখার এক পরম আকাঙ্ক্ষা লালন করেন কমবেশি সকল বিবাহিত দম্পতিই। এক্ষেত্রে কেউ যেমন নেহাত একটি সন্তান হলেই ভীষণ খুশি, তেমনি কারও আবার অপেক্ষায় দিন কাটে ছেলে কিংবা মেয়ের আশায়। তবে আপনি নিঃসন্তানই হোন কিংবা ছেলে-মেয়ে যা-ই আপনার কাম্য হোক না কেন, সন্তান জন্মদানের পূর্বশর্ত হিসেবে সুস্থ ও নিরোগ থাকার পাশাপাশি নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে নিজের মেজাজ আর খুঁতখুঁতে স্বভাবকে। নিয়মতান্ত্রিক এক গবেষণার সূত্র ধরে সম্প্রতি এমনটাই জানিয়েছেন নরওয়ের একদল গবেষক। তাদের দাবি সন্তান জন্মদানের সক্ষমতার বিষয়টি পুরুষ বা নারীদের ব্যক্তিত্বের সঙ্গে অনেকটাই সম্পর্কিত। আর এ কারণেই বদমেজাজি পুরুষ বা খুঁতখুঁতে স্বভাবের নারীদের সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা স্বাভাবিক মেজাজ বা চরিত্রের পুরুষ ও নারীদের চাইতে কম হয়। আলোচিত এই গবেষণার জন্য গবেষকরা নরওয়ের বিভিন্ন ব্যক্তির ব্যক্তিত্ব ও তাদের সন্তানের ওপর জরিপ পরিচালনা করেন এবং একই সাথে জন্ম সনদের ডাটা সংগ্রহ করে তা বিশ্লেষণ করেন। গবেষক দলের প্রধান ‘ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অ্যাপ্লাইড সিস্টেমস অ্যানালাইসিসে’র বিশেষজ্ঞ ভেগার্ড স্কিরবেক বলেন, ‘সন্তান ধারণে সক্ষমতার বিষয়টি নানা ধরনের শারীরিক, মানসিক ও প্রাকৃতিক বিষয়াবলির ওপর নির্ভর করে। এক্ষেত্রে আমরা যদি শুধুমাত্র মানসিক দিকটিকে নিয়ে আলাদাভাবে কাজ করি তাহলে দেখা যায় যে সন্তান হওয়া না হওয়া কিংবা গর্ভধারণের সময়ের ক্ষেত্রে বিবাহিত নারী-পুরুষের ব্যক্তিত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।’ এমনকি ব্যক্তিত্বের এই তারতম্যের কারণে ইউরোপে জন্মহার কমছে বলেও দাবি করেছেন ভেরার্ড স্কিরবেক।