ভারতীয় ফুটবলারদের মুখে কুলুপ

বাংলাদেশ এবং ভারতীয় ফুটবল কাঠমান্ডুর এভারেস্ট হোটেলে অবস্থান করছে। কিন্তু তাদের মধ্যে কথা হয় না। গতকাল বুধবার বিকালে বাংলাদেশ ফুটবল দল যখন মাঠে অনুশীলন করছিল সেসময় ভারতীয় ফুটবল দল হোটেলের ডাইনিং হলে বিকালের নাস্তা সেরে বেরিয়ে আসছিলেন। অধিনায়ক সুনীল ছেত্রীর সাথে কথা বলতে চাইলে তিনিও আগ্রহ দেখান কথা বলার। কেমন আছেন খেলার খবর কি। এসব প্রশ্ন উঠতেই ভারতীয় স্ট্রাইকার সুনীল ছেত্রীও জানতে চাইলেন আপনারা কি সাংবাদিক। মাথা নাড়িয়ে হ্যাঁ সুচক জবাব দিতেই চোখ ছানাবড়া তার। বলে উঠলেন, ‘সাংবাদিকদের সাথে কথা বলা বারণ আছে।’ ভারতীয় ফুটবল দলের খেলোয়াড়রা সাফে চ্যাম্পিয়নশিপ হওয়া নিয়ে মানসিক চাপে আছে। চ্যাম্পিয়ন হয়ে ঘরে ফেরার নির্দেশনা রয়েছে তাদের। ভারতীয় ফুটবল দলের কোচও ডাচ এবং টেকনিক্যাল ডাইরেক্টরও একই দেশের। ডাচ কোচ উইম কোভারম্যানস এক বছর হয়নি দায়িত্ব নিয়েছেন। শুরুতেই ডাচ কোচের তালিম নিয়ে বেশ ভালোই চমক দেখিয়েছিল ভারতীয় খেলোয়াড়রা। নেহরু কাপ ফুটবলে ক্যামেরুনকে হারিয়ে সাড়া ফেলে দিয়েছিল। কিন্তু ভালো খেলার ধারাবাহিকতা না থাকায় ডাচ কোচের উপর ক্ষাণিকটা ক্ষুব্দ ভারতীয় ফুটবল নীতি-নির্ধারকরা। নেপালে আসা ভারতীয় দলের সূত্রে জানা যায় শুরুতে যতটা ভালো হয়েছিল ততটা এখন নেই। তরুণ ফুটবলারদের আধিক্য এখন ভারতীয় দলে। খেলোয়াড়দের বয়সও অনেকটা কম। তাদের নিয়ে কাজ করতে গিয়ে ডাচ কোচ কোভারম্যানস একটা লড়াকু দল তৈরি করতে চাচ্ছেন বলে জানা গেছে। এই কোচকে মাসে ভারতীয় রুপিতে পনের ষোল লাখ টাকা বেতন দিতে হয়। ] ভারতীয় দলের মতোই বাংলাদেশের কোচও ডাচ। দুজন দুজনকে চেনেন জানেন। ভারতীয় কোচ ১৯৮৮ সালে ইউরো চ্যাম্পিয়ন হল্যান্ড দলের সদস্য ছিলেন। বাংলাদেশ ম্যাচ সম্পর্কে তিনি সংবাদ মাধ্যমের কাছে জানিয়েছেন ভারতের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের লড়াইটা স্রেফ দুই দলের মধ্যে। এটা কোনো ব্যক্তিগত ম্যাচ হবে না।’