সিলেট ও খুলনায় বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষ, আহত ২০
প্রকাশ : ২৮ আগস্ট ২০১৩, ২৩:০২
খুলনা ও সিলেটে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে খুলনায় অন্তত ১০ জন ও সিলেটেও ১০ জন আহত হয়েছেন। আমাদের খুলনা অফিস থেকে এনামুল হক জানান, বুধবার বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক মন্ত্রী তরিকুল ইসলাম ও যুগ্ম মহাসচিব মিজানুর রহমান মিনুর উপস্থিতিতে খুলনা জেলা বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে রূপসা ও তেরখাদা থানা বিএনপির দুই সাধারণ সম্পাদকসহ উভয় গ্রুপের অন্তত ১০ জন আহত হন। এদের মধ্যে তিনজনকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সিলেট অফিস থেকে ফখরুল ইসলাম জানান, গতকাল বুধবার দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের উপস্থিতিতে সিলেট জেলা বিএনপির কর্মী সভায় দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে অন্তত ১০ জন আহত হন। ভাংচুর করা হয় সভা-মঞ্চসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র। বুধবার বিকালে নগরীর কুমারপাড়ার একটি কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজন করা হয় জেলা বিএনপির এই কর্মী সভা।
নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি অবরুদ্ধ
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি \ নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার আগে থেকেই ঘোষণা দিয়েছেন সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৫ (শহর-বন্দর) আসন থেকে অংশ নেবেন। তিনি একই সঙ্গে জন্মস্থান রূপগঞ্জ থেকেও নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার কথা বলছিলেন কর্মীদের। সে অনুযায়ী চলছিল প্রচারণা। কিন্তু বুধবার বিকেলে রূপগঞ্জে অনুষ্ঠিত এক সভায় সেখানে নির্বাচনের ব্যাপারে তার নেতিবাচক অবস্থান স্পষ্ট করে বক্তব্য দেওয়ার পরেই অ্যাডভোকেট তৈমুরকে প্রায় দুই ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখে দীর্ঘদিন ধরে তার পক্ষে রাজনীতি করা নেতাকর্মীরা। ওই সময়ে তাদের হামলায় আহত হন তৈমুর অনুগামী জেলা ও নারায়ণগঞ্জ নগর বিএনপির পাঁচজন নেতা।
নরসিংদীতে বিএনপি সভায় চেয়ার ছোড়াছুড়ি
নরসিংদী প্রতিনিধি জানান, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের উপস্থিতিতে তুমুল হৈ-হট্টগোল, চেয়ার ভাংচুর, শ্লোগান, পাল্টা শ্লোগানের মধ্য দিয়ে গতকাল বুধবার বিকেলে নরসিংদীর ভেলানগর বাঁধন কমিউনিটি সেন্টারে বেগম খালেদা জিয়ার জনসভার প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভার এক পর্যায়ে জেলা বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান ফেরদৌস আহমেদ খোকন মনোহরদী থানা বিএনপির সভাপতি লেঃ কর্নেল অবঃ জয়নুল আবেদীন সম্পর্কে কটূক্তি করলে সভায় উপস্থিত জয়নাল আবেদীনের সমর্থকরা উত্তেজিত হয়ে উঠে। তারা ফেরদৌস আহমেদ খোকনকে ধরার জন্য মঞ্চের দিকে তেড়ে আসে। খোকনকে আওয়ামী লীগের দালাল বলে শ্লোগান দিতে থাকে। একই সময় অন্যান্য সমর্থকরা খোকনকে লক্ষ্য করে চেয়ার ছুড়ে মারে।