জামানতের ৬২২ কোটি টাকা জমা দিয়েছে ৪ অপারেটর
প্রকাশ : ২৯ আগস্ট ২০১৩, ২৩:১৮
তৃতীয় প্রজন্মের (থ্রিজি) মোবাইল ফোন সেবা দিতে তরঙ্গ বরাদ্দের জন্য আবেদনকারী চারটি মোবাইল ফোন অপারেটর জামানতের ৬২২ কোটি টাকা জমা দিয়েছে। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক কমিশনের (বিটিআরসি) ভাইস-চেয়ারম্যানের কাছে গতকাল বৃহস্পতিবার এই অর্থ জমা দিয়েছে তারা। প্রত্যেক অপারেটর দিয়েছে ১৫৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ টাকা করে। গতকাল জামানতের টাকা জমা দিয়েছে- গ্রামীণফোন, বাংলালিংক, রবি ও এয়ারটেল।
থ্রিজির তরঙ্গ পেতে সিটিসেল আবেদন করলেও গতকাল শেষ দিনে তারা জামানতের টাকা জমা দেয়নি। আর রাষ্ট্রীয় অপারেটর হিসেবে টেলিটককে থ্রিজির নিলামে অংশ নিতে হবে না। যে দাম উঠবে সেই টাকা পরিশোধ করেই তারা লাইসেন্স পাবে। আগামী ৮ সেপ্টেম্বর থ্রিজির নিলাম অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। টেলিটক ছাড়া চারটি অপারেটর থ্রিজির লাইসেন্স পাবে। সিটিসেল জমানাতের টাকা না দেয়ায় শেষ পর্যন্ত চারটি অপারেটরই নিলামে যাচ্ছে। প্রথমে এই নিলাম উন্মুক্ত হওয়ার কথা থাকলেও এখন রুদ্ধদ্বার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিটিআরসি। অপারেটরের প্রতিনিধি ছাড়া অন্য কাউকে সেখান রাখা হবে না।
বিটিআরসি’র ভাইস-চেয়ারম্যান গিয়াসউদ্দিন আহম্মেদ বলেন, আবেদনকারীদের জামানতের অর্থ জমা দেয়ার মধ্যদিয়ে থ্রিজি নিলামের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এসময় তিনি অপারেটরদের সঙ্গে সিম প্রতিস্থাপন সংক্রান্ত জটিলতার বিষয়ে বলেন, এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। রুদ্ধদ্বার নিলামের বিষয়ে তিনি বলেন, কোন কিছুই গোপন করা হবে না। সাংবাদিকরা সবকিছু জানবেন। নিলামের জামানতের অর্থ জমা দিয়ে তাত্ক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় গ্রামীণফোনের কর্পোরেট বিভাগের প্রধান মাহমুদ হোসাইন ইত্তেফাককে বলেন, সরকারের প্রতি তাদের আস্থা সৃষ্টি হয়েছে, তাই নিলামে অংশ নিচ্ছেন। সিম প্রতিস্থাপন ট্যাক্স সংক্রান্ত জটিলতা এখনো শেষ হয়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, বেশ কিছু ইস্যুতে আলোচনা চলছে। স্বল্প পরিসরে হলেও তারা এ বছরই গ্রাহদের থ্রিজি সেবা দেবেন। বাংলালিংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জিয়াদ সাতারা বলেছেন, থ্রিজি তরঙ্গ নিলামে অংশ নেয়াটা সত্যিকার অর্থেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বাংলালিংক এদেশে সবসময়ই একটি বড় চ্যালেঞ্জার এবং দিনবদলের পথিকৃত্।