নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন নিয়ে সংশয় নেই
প্রকাশ : ২৯ আগস্ট ২০১৩, ২৩:১৯
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেছেন, নির্বাচন বাংলাদেশে হবেই এবং তা হবে নির্দলীয় সরকারের অধীনে। এ ব্যাপারে সংশয়-সন্দেহের কোনো অবকাশ নেই। কারণ দেশের স্থিতিশীল অবস্থা ফিরিয়ে আনতে নির্দলীয় সরকারের অধীনে যথাসময়ে সুষ্ঠু নির্বাচনের বিকল্প নেই। আর কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বলেছেন, নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হতেই হবে, সেই নির্বাচনে এ সরকারের গণেশ উল্টে যাবে, এমনকি সংসদে নাম লেখানোর মতো কেউ নাও থাকতে পারে।
দিগন্ত টেলিভিশনের সমপ্রচারের ওপর ‘সাময়িক নিষেধাজ্ঞা’ প্রত্যাহারের দাবিতে গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত ‘প্রতিবাদী অবস্থান ও সংহতি বন্ধন’ অনুষ্ঠানে তারা এসব কথা বলেন।
মওদুদ আহমদ বলেন, নির্বাচিত সরকার, স্বৈরতান্ত্রিক সরকারে রূপ নিলে যে অবস্থার সৃষ্টি হয়-বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থা ঠিক সেরকমই। দেশের বর্তমানের সকল সমস্যা সমাধানের একমাত্র পথ নির্দলীয়, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন। সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, ৫ মে হেফাজতের আলেম-ওলামাদের উপর সরকার যদি গুলি না চালিয়ে থাকে, তাহলে সেখান থেকে সংবাদ মাধ্যমকে কেন দূরে সরানো হলো? কেন দিগন্ত টিভি, ইসলামী টিভি ও আমার দেশ বন্ধ করা হলো? তার জবাব কেন সরকার সংসদে ও সংসদের বাহিরে দেয়নি?
দিগন্ত টিভি’র নির্বাহী পরিচালক মাহবুবুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আ. স. ম হান্নান শাহ, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, নয়াদিগন্ত পত্রিকার সম্পাদক আলমগীর মহিউদ্দিন, জাগপা সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, ইসলামী ঐক্যজোট চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ নেজামী, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমদ, কবি আব্দুল হাই শিকদার, যুবদল সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল প্রমুখ।
এদিকে, গতকাল ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) জাগপা আয়োজিত ‘চলমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও করণীয়’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া সরকারকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুনের বার্তা বোঝার চেষ্টা করুন, না বুঝলে দেশে বিপর্যয়ে তেড়ে আসবে। আর এর দায়ভার এ সরকারকেই বহন করতে হবে।