ত রু ণী ক থা ................
মিতুর স্বপ্ন: দেশ একদিন সংস্কৃতি ও খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে
প্রকাশ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২০:২৮
সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষার্থী হলেও মিতুর প্রথম ইচ্ছা সমাজ সেবামূলক কাজ করা। এ দেশের দরিদ্রতা, অনাহারে ভোগা মানুষগুলোর পাশে থাকা। কারণ, একজন চিকিত্সা বিজ্ঞানীর মানবিক ও পেশাগত দায়িত্ব এটাই। একজন চিকিত্সক হওয়াটা বড় কথা না, বরং মূল্যবোধ সম্পন্ন মানুষের সেবা করার মানসিকতা তৈরি হওয়াটাই বড় কথা। মিতুর মতে, এখন এমন অনেক নামধারী চিকিত্সক আছেন যাদের মূল উদ্দেশ্যই হলো অর্থ উপার্জন; সেটা যে পন্থায়ই হোক না কেনো! দেশের মানুষের কথা তারা চিন্তাও করে না। মাঝে মাঝে বিভিন্ন চিকিত্সা ক্যাম্পে গিয়ে তার অভিজ্ঞতা থেকে মনে হয়েছে মানুষের সেবা করার অনন্দ কোন কিছু দিয়ে তুলনা করার মতো নয়। তার মতে শুধু চিকিত্সকদের নয়, বরং সমাজের সর্বস্তরের মানুষের উচিত তাদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে মানুষের কথা ভাবা। সাধ্যানুযায়ী সেবা ও সহযোগিতা করা। অনেকে এগিয়ে আসছে কিন্তু সেটা সংখ্যায় নিতান্তই অপ্রতুল। মিতু মনে করে তরুণ-তরুণীদের সমাজ সেবায় আরো এগিয়ে আসতে হবে। বিশেষত তরুণীদের। কারণ মা, নারী এবং একজন মানুষ হিসেবে এটা সমাজের প্রতি তাদের দায়বদ্ধতা। মিতু স্বপ্ন দেখে, একদিন এই দেশ অর্থে, সংস্কৃতিতে এবং খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে। মানুষের মুখে সব সময় নিশ্চয়তার হাসি থাকবে। কোন মানুষ, মা পুষ্টিহীনতা এবং চিকিত্সার অভাবে ভুগবে না।