নোয়াখালীতে জলদস্যু নির্মূল অভিযান গ্রেফতার ১৬

নোয়াখালীর উপকূলীয় এলাকায় পুলিশের জলদস্যু নির্মূল অভিযান চলছে। গতকাল রবিবার পর্যন্ত অভিযানে ১৬ দস্যুকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ৭টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। গতকাল দুপুরে নোয়াখালীর এসপি আনিসুর রহমান তার সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়ে বলেন, নোয়াখালীর উপকূলীয় চর ও নদী এলাকায় জলদস্যু নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত পুুলিশী অভিযান অব্যাহত থাকবে। অভিযানে পুলিশের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা পুলিশ বাহিনীকে দস্যু দমনে আরো উত্সাহিত করেছে বলে তিনি জানান। প্রসঙ্গত, শুক্রবার ভোরে পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে হাতিয়ার দস্যু সর্দার ইউনুছ নিহত হন। একইদিন সকালে ইমরান বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড আলতাফ, আশরাফ কমান্ডার ও কেফায়েত উল্যা এবং বিকালে ওসমানসহ আরো একজন গণপিটুনিতে নিহত হন। নিহতদের মধ্যে আলতাফ চট্টগ্রামের মিরসরাই-এর ডোমখালী এলাকার ও অন্যরা হাতিয়া উপজেলার অধিবাসী। এদের কাছ থেকে ৬টি বন্দুক, ৬টি এলজি ও বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। গণপিটুনির ঘটনায় ৫ মামলায় দেড় শতাধিক অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। স্বস্তিতে নেই চরবাসী এদিকে বন্দুকযুদ্ধ ও গণপিটুনিতে ৬ জলদস্যু নিহত হবার পর সোনাদিয়া, বুড়িরচর, জাহাজমারা ও নিঝুমদ্বীপ এলাকার মানুষের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি নেমে আসলেও দুর্গম চরে বসবাসকারী ভূমিহীনরা বর্তমানে আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। কারণ ডাকাত সর্দাররা নিহত হবার পর পর এসব দুর্গম চরেই বিভিন্ন নামে নতুন দস্যু বাহিনী গড়ে উঠে। তাই এসব বাহিনীর ভয়ে দুর্গম জাহাইযার চর, কালামচর, ক্যারিংচর, চর নঙ্গলিয়া ও চর বাসারসহ বিভিন্ন চরের মানুষ বর্তমানে অসহায় অবস্থার মধ্যে রয়েছে।