সিরিয়ায় রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের প্রমাণ মিলেছে

সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কে গত ২১ আগস্ট রাসায়নিক অস্ত্র হামলায় প্রাণঘাতী সারিন নার্ভ গ্যাস ব্যবহারের প্রমাণ যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রী জন কেরি। তিনি বলেছেন, হামলা পরবর্তী বিভিন্ন নমুনা পরীক্ষা করে সারিন গ্যাসের আলামত ধরা পড়েছে। হামলায় নিহতদের চুল এবং রক্ত পরীক্ষা করে এ ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া গেছে। খবর বিবিসির। জাতিসংঘ তদন্তকারীরা সিরিয়ায় রাসায়নিক অস্ত্র হামলা হয়েছে কিনা তা সংগ্রীহিত তথ্যপ্রমাণের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করছেন। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র নিজস্ব সূত্র থেকেই সিরিয়ায় রাসায়নিক অস্ত্র হামলার প্রমাণ পেয়েছে বলে জানিয়েছেন কেরি। তিনি বলেন, ‘গত ২৪ ঘণ্টায় যুক্তরাষ্ট্রের পাওয়া বিভিন্ন নমুনা থেকে আমরা বিষয়টি জানতে পেরেছি। হামলার পর সেখান থেকে সংহূহীত নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে এবং চুল ও রক্তের নমুনা পরীক্ষায় সারিন নার্ভ গ্যাসের চিহ্ন পাওয়া গেছে। সুতরাং বিষয়টি গুরুতর হয়ে উঠছে এবং সামনে তা আরো গুরুতর হবে।’ ৯ সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের অধিবেশন শুরু হলে সিরিয়ায় সামরিক হামলার বিষয়টিও অনুমোদন পাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। ওবামার বিলম্বে ক্ষোভ:এদিকে, সিরিয়ায় হামলা চালানোর জন্য ওবামা কংগ্রেসের অনুমোদন নিতে গেলে যে সময়ক্ষেপণ হবে তাতে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের মনোবল বেড়ে যেতে পারে বলে মন্তব্য করেছে বিদ্রোহীদের সংগঠন সিরিয়া ন্যাশনাল কোয়ালিশন। কোয়ালিশনের মুখপাত্র লোয়ে সাফি কটাক্ষ করে একে যুক্তরাষ্ট্রের ‘নেতৃত্বের ব্যর্থতা’ বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন ওবামার এই ঘোষণা শুনে তিনি প্রচন্ড হতাশ হয়েছেন। কারণ কংগ্রেসের অধিবেশন বসবে এ মাসের নয় তারিখে। অর্থাত্ আসাদ বেশ কয়েকদিন সময়ে হাতে পাচ্ছেন। এই সময়ের মধ্যে তিনি রাসায়নিক অস্ত্র সংক্রান্ত তথ্য সরিয়ে ফেলতে পারেন। কিংবা বিদ্রোহীদের উপর আরো জোরালোভাবে এই অস্ত্র প্রয়োগ করতে পারেন।