ইউএস ওপেন

চতুর্থ রাউন্ডে মারে-সেরেনা, রাদওয়ানস্কার বিদায়

পুরুষ এককের দুই ফেভারিট অ্যান্ডি মারে এবং নোভাক জোকোভিচ ইউএস ওপেনের শেষ ষোলোতে পা রেখেছেন। অন্যদিকে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে গেছেন মহিলা এককের শীর্ষ বাছাই সেরেনা উইলিয়ামস। তবে অপ্রত্যাশিত হারে শেষ ষোলো থেকেই বিদায় নিয়েছেন তৃতীয় বাছাই অগনেইস্কা রাদওয়ানস্কা। প্রথমবারের মতো শিরোপাধারি হিসেবে কোন গ্র্যান্ড স্ল্যাম টুর্নামেন্টে খেলতে আসা মারের জয়টা মোটেই সহজে আসেনি। অবাছাই ফ্লোরিয়ান মায়ারের বিরুদ্ধে প্রথম সেটটি জিততে রীতিমত বেগ পেতে হয়েছে এই স্কটিশকে। টাইব্রেকারে এই সেটে (৭-৬) (৭-২) গেমে জেতার পর অবশ্য আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি মারেকে। পরের দুটি সেট সহজেই জিতে নেন উইম্বলডন চ্যাম্পিয়ন। জোকোভিচের অবশ্য শেষ ষোলোতে পৌঁছাতে মারের মত এতটা ঘাম ঝরাতে হয়নি। পর্তুগালের অবাছাই জোয়া সোসার বিরুদ্ধে তার জয়টা এসেছে ৬-০, ৬-২, ৬-২ গেমে। এ দু’জন ছাড়াও শীর্ষ বাছাইদের মধ্যে জয় পেয়েছেন চেক প্রজাতন্ত্রের টমাস বার্ডিচও। অন্যদিকে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করতে চতুর্থ রাউন্ডে যুক্তরাষ্ট্রের স্নোয়ান স্টিফেন্সের বিপক্ষে জয় প্রয়োজন ছিল সেরেনার। স্বদেশি প্রতিপক্ষের বিপক্ষে সেই কাজটি বেশ দক্ষতার সাথেই করেছেন তিনি। মাত্র ৮৭ মিনিট সময় ব্যয় করে ৬-৪ ও ৬-১ গেমে ম্যাচ জিতে নেন সেরেনা। জয়ের পর উচ্ছ্বসিত সেরেনা বলেন, ‘এটা খুবই কঠিন ম্যাচ ছিল। কারণ প্রতিপক্ষ হিসেবে স্নোয়ান বেশ কঠিন ছিল। তবে আমার লক্ষ্য ছিল নিজের সেরাটা উজার করে দেয়া। শেষ পর্যন্ত তা করতে পেরেছি এবং ম্যাচও জিততে পেরেছি। তাই বেশ ভালোই লাগছে। শিরোপা থেকে তিন ধাপ দূরে। আশা করছি পরের তিনটি ম্যাচও ভালোভাবে অতিক্রম করতে সক্ষম হবো।’ দিনের অন্য ম্যাচে ইয়েলেনা জ্যাঙ্কেভিচকে ৬-৩, ৬-০ গেমে উড়িয়ে দেন চীনের লি না। আর দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচে অ্যাঞ্জেলিক কারবারের বিরুদ্ধে কার্লা সুয়ারেজ নাভারোর জয়টি আসে ৪-৬, ৬-৩, ৭-৬ (৭/৩) গেমে। তবে তৃতীয় বাছাই রাদওয়ানস্কা ৬-৪, ৬-৪ গেমে হেরে যান রাশিয়ার একেতারিনা ম্যাকারোভার কাছে। পোলিশ প্রতিপক্ষকে হারিয়ে উচ্ছ্বসিত ম্যাকারোভা বলেন, ‘রাদওয়ানস্কার মত খেলোয়াড়কে হারানোর অনুভূতিটা কেমন হতে পারে তা বলে বুঝাতে পারবো না। সত্যি, অসাধারণ। এত বেশি ভালো খেলবো আমি নিজেও বুঝতে পারিনি।’