অভাবের তাড়নায় গৃহিণীর আত্মহত্যা
প্রকাশ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২২:২৯
অভাব আর ক্ষুধার কাছে হার মেনে জীবন দিতে হয়েছে এক গৃহিণীকে। সমিতির কিস্তি তার জীবনের কাল হলো। মেহেরপুর সদর উপজেলার বারাকপুর গ্রামের সুফল আলির স্ত্রী ৩ সন্তানের জননী হাদিছা খাতুন গত রবিবার ভোরে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করে।
গ্রামবাসী জানান, অভাবের তাড়নায় স্থানীয় পলাশীপাড়া সমাজ কল্যাণ সমিতি ও দারিদ্র্য বিমোচন নামের ২টি সমিতির কাছে লোন করে হাদিছার ছেলে ভাসান ও ছেলের বৌ ফাতেমা। প্রতি সপ্তাহে কিস্তিতে দিতে হয় ২৫০ টাকা। দিনমজুর ছেলে সংসারের খরচ চালিয়ে ২ মাস ধরে সমিতির কিস্তি দিতে না পেরে গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে যায়। তারপর থেকে তাদের সংসারে দুই তিন দিনেও ভাত হয় না। ক্ষুধার যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে গৃহিণী হাদিছা ও তার ছেলের বৌ প্রতিবেশিদের কাছে খাবার খেয়ে জীবন চালায়। এ সংবাদ সমিতির লোকেরা জানতে পেরে হাদিছাকে তারা বলে, রবিবারের মধ্যে টাকা দিতে না পারলে বসতঘরের টিন খুলে নিয়ে যাবে বলে জানায়। এ লজ্জা সহ্য করতে না পারার বেদনায় সকলের অগোচরে হাদিছা গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করে।